advertisement
আপনি দেখছেন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে গোটা বিশ্বের টালমাটাল অবস্থা। ইতোমধ্যে ৮০ টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে ভাইরাসটি। মারা গেছে তিন হাজারের বেশি এবং আক্রান্ত হয়েছে ৯৫ হাজারের অধিক।

corona test

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে গেল ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ প্রথম শনাক্ত হয় করোনাভাইরাস। সেই হিসাবে দুই মাস ধরে করোনার আঘাত বয়ে বেড়াচ্ছে আক্রান্ত এলাকার মানুষ। আর আতঙ্ক কাজ করছে অ-আক্রান্ত এলাকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে। কারণ প্রতিনিয়ত নতুন নতুন দেশে ছড়াচ্ছে ভাইরাসটি।

ইতিমধ্যে অনেকেই হয়তো জেনেছেন করোনাভাইরাস আক্রান্তের প্রাথমিক উপসর্গগুলো। একদম ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো- হালকা জ্বর, সর্দি, কাশি, একটু শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ লাগা এমন সব উপসর্গ পাওয়া গেলেই শুধু বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এক্ষেত্রে কী পরীক্ষা করতে হয় সে সম্পর্কে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসক ড. কাজী সাইফুদ্দিন বেননুর বিবিসিকে বলেন, ‘কোভিড-১৯ ভাইরাসটির কারণে উপসর্গ দেখা দিচ্ছে কিনা সেটা বুঝতে গলার ভিতরে, নাকের গোড়ার কাছ থেকে তুলা দিয়ে লালা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। আর যে পরীক্ষাটি করা হয় সেটির নাম হলো 'রিয়াল টাইম পিসিআর' বা রিয়াল টাইম পলিমারেস চেইন রিঅ্যাকশন।’

তিনি বলছেন, লালা ছাড়া শরীর থেকে আর কোনো নমুনায় এই ভাইরাস ধরা পড়ে না এবং জ্বর বা কাশির জন্য সেসব চিকিৎসা দেয়া হয় সেটাই দেয়া হয়। সমস্যা হলো- এই রোগের অ্যান্টিবায়োটিক এখনো নেই।

ড. বেননুর আরো বলছেন, লালা পরীক্ষায় যদি ভাইরাসটি শনাক্ত হয়, তখন আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের সার্বিক অবস্থা কোন পর্যায়ে আছে, সংক্রমণের মাত্রা, তার রক্তের কণিকা কোন পর্যায়ে রয়েছে সেটি বোঝার জন্য ব্লাড কাউন্ট করা যেতে পারে।

বুকে এক্সরে করা যেতে পারে এটা বুঝতে যে এই ভাইরাসের কারণে তার নিউমোনিয়া হয়েছে কি না। এই ধরনের আনুষঙ্গিক পরীক্ষাগুলো করা হয়, তবে সেটি রোগ শনাক্ত হওয়ার পর, বলছেন ওই চিকিৎসক।