advertisement
আপনি দেখছেন

গবেষণায় দেখা গেছে, ৬২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট ফুটালে পাস্তুরিত মাতৃদুগ্ধে করোনাভাইরাস মরে যায়। যা নবজাতক শিশুদের জন্য নিরাপদ। কানাডিয়ান মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশন সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা যায়।

nasal swab testingকরোনা শনাক্তকরণ টেস্ট

টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, গবেষণাটি করেছেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টোর একদল গবেষক। করোনাভাইরাসে সংক্রমিত নারীদের মাতৃদুগ্ধ থেকেও ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন আলোচনা থেকেই গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে বলা জানা গেছে।

কানাডায় সাধারণত নবজাতকরা কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। তাই তাদের পাস্তুরিত মাতৃদুগ্ধ প্রদান অতীব জরুরি হয়ে পড়ে। কারণ অনেক সময় নবজাতকের মা পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ উৎপাদন করতে পারে না।

pandemic symbolic picture05করোনাভাইরাসের মাইক্রোস্কোপিক ছবি

গবেষণায় নেতৃত্ব দেয়া ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টোর অধ্যাপক শ্যারন আঙ্গার বলেন, করোনা সংক্রমিত একজন নারী মাতৃদুগ্ধ দান করলে তাতেও ভাইরাসটির উপস্থিতি থাকে। যা নবজাতকের জন্য কোনোভাবেই নিরাপদ না। এই ভাইরাস কীভাবে দুধে চলে আসে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হতে পারে ত্বকের মাধ্যমে, ড্রপলেটের মাধ্যমে, হাত দিয়ে স্তন পাম্প করার কারণে। তবে আমরা যে পদ্ধতির কথা বলছি, তাতে করোনার কোনো অস্তিত্ব থাকবে না।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার বরাতে জানা যায়, ইউনিভার্সিটি অব টরোন্টোর গবেষকরা মার্তৃদুগ্ধ জীবাণুমুক্ত করার যে পদ্ধতির কথা আলোচনা করেছেন তাকে বলা হয় ‘দ্য হোল্ডার মেথড’। এই প্রক্রিয়ায় ৬২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে দুধ উত্তপ্ত করা হয় ৩০ মিনিট ধরে। এতে মাতৃদুগ্ধে এইচআইভি, জন্ডিসসহ আরো বেশ মারাত্মক রোগের ভাইরাসের উপস্থিতি থাকলে তা মরে যায়।

জানা যায়, গবেষকরা প্রথমে করোনাভাইরাস সম্বলিত মাতৃদুগ্ধ কক্ষের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট রেখে দেখেন। কিন্তু সেখানে তারা ভাইরাসের কোনো পরিবর্তন পাননি। এরপর তারা সেই দুধকে ৩০ মিনিট ধরে ৬২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করেন। পরে দেখতে পান, এতে বিদ্যমান ভাইরাসের কোনো অস্তিত্বই নেই।

গবেষণায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অন্তত সাড়ে ছয় শ মাতৃদুগ্ধের নমুনা পরীক্ষা করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

sheikh mujib 2020