advertisement
আপনি দেখছেন

কলা খাওয়ার পর সাধারণত কলার খোসা ফেলেই দেয়া হয়। কিন্তু চাইলেই কলার খোসা দিয়ে নানা রকম কাজ আদায় করে নিতে পারেন আপনি। ফেলে না দিয়ে যদি সঠিক ভাবে কাজে লাগানো হয় তাহলে দৈনন্দিন জীবনের অনেক ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

banana peel

ত্বকের যত্নে কাজে লাগানোর জন্য কলার খোসা খুবই উপকারী। একটু বয়স বেড়ে গেলে ত্বকে যে বয়সের বলিরেখা পড়ে কলার খোসায় তার নিরাময় হয়। বলিরেখা দূর করার জন্য ডিমের কুসুমের সঙ্গে একটা কলার খোসা ব্লেন্ডারে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। তারপর মুখে লাগিয়ে দশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

যাদের দাঁতে হলদেটে ভাব রয়েছে তারাও কলার খোসার শরণাপন্ন হতে পারেন। খোসার ভিতরের নরম সাদা দিকটা দাঁতে ঘষতে থাকুন। এইভাবে ১০ থেকে ১৫ দিন ঘষুন। দাঁত হবে উজ্জ্বল সাদা।

অনেকেরই ব্রণ হয়ে ব্যথায় টনটন করে। ব্রণ নিরাময়ে প্রতিদিন ত্বকের উপর কলার খোসা ম্যাসাজ করতে থাকুন। অল্প কিছুদিনেই ব্রণ ভালো হয়ে যাবে।

সবশেষে কলার খোসার মজার এবং দারুণ একটি উপকারী দিক জানিয়ে দিচ্ছি। অনেক সময় বাসায় জুতো পালিশ করার কোনো উপকরণই থাকে না। কিন্তু স্বল্প সময়ের নোটিশে আপনাকে অফিসে বা কোথাও যেতে হবে। চকচকে জুতো পালিশ ছাড়া যাওয়াও সম্ভব না। কী করবেন এখন?

এমন অবস্থায় জুতোর ময়লা কোনো একটি কাপড় দিয়ে ভালোমতো মুছে নিয়ে জুতোয় কলার খোসা ঘষতে থাকুন। পাঁচ মিনিট পর জুতো হবে আয়নার মতো ঝকঝকে। এবার কাপড় দিয়ে জুতো ভালোমতো মুছে নিয়ে চলে যান অফিসে।

আপনি আরও পড়তে পারেন

শখের বাসনকোসন থাকুক যত্নে

ফুলদানিতে ফুল ফুটুক

ঘর-গেরস্থের টুকিটাকি