advertisement
আপনি দেখছেন

গরমের স্বস্তি যে এসি, সে এসিই যদি আপনার মৃত্যুর কারণ হয়, তাহলে তো ভাবতেই হয়। যদিও এসি দুর্ঘটনা বা এসি বিস্ফোরণ নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক নিয়ম মেনে এসি ব্যবহার না করলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। তাই আসুন জেনে নিই- এসি বিস্ফোরণ কেন ঘটে এবং রোধে কী করণীয় আছে।

ways to reduce power bill inner 2

এসি বিস্ফোরণ কেন ঘটে

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অলোক কুমার মজুমদার এসি বিস্ফোরণের পেছনে ৪টি সুনির্দিষ্ট কারণের কথা বলেছেন। তা হচ্ছে-

১. রুমের মোট অনুপাত হিসেব করে এসি ব্যবহার না করা।

২. নিম্নমানের এসি ব্যবহার করা।

৩. নিয়মিত এসি সার্ভিসিং না করা।

৪. দীর্ঘ সময় বিরতিহীন এসি চালানো।

এছাড়া একটি কমন কারণ হলো, নিম্নমানের গ্যাস সম্বলিত এসি ব্যবহার করা। প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার জন্য, অনেকে বিক্রেতাই চায়না থেকে নিম্নমানের গ্যাস ব্যবহার করা এসি বাজারজাত করেন। দাম কম হওয়ায় ক্রেতারাও লুফে নেয়।

আরো যেসব কারণে এসি বিস্ফোরণ ঘটতে পারে

১. পুরনো বা মানহীন এসি ব্যবহার করা।

২. কম্প্রেসরের ভেতরে ময়লা আটকে জ্যাম তৈরি হওয়া।

৩. এসির ব্যবহৃত গ্যাস লিক হয়ে রুম বা এসির ভেতর জমে থাকা।

৪. ভেতরে বা বাইরে কোথাও বৈদ্যুতিক তার ছিড়ে যাওয়া অথবা নড়বড়ে হয়ে থাকা।

৫. কম ভোল্টেজে এসি চালানো।

৬. এসি চালানোর ক্ষেত্রে ‘রেস্ট-টাইম’ মেইনটেইন না করা।

৭. সঠিক রেটিং এর সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার না করা ।

৮. এসির পাওয়ার কেবলে সঠিক স্পাকের ব্যবহার না করা।

৯. সঠিকভাবে এসির ভ্যাকুয়াম না করা।

about ac

এসি বিস্ফোরক রোধে করণীয়

১. প্রতিমাসে ফিল্টার পরিষ্কার রাখা।

২. অন্তত বছরে একবার দক্ষ মেকানিক দিয়ে এসি সার্ভিসিং করা।

৩. আউটডোর ইউনিট পরিষ্কার রাখা।

৪. রুমের পরিমাপবিধি মেনে এসি ব্যবহার করা।

৫. এসি চালানোর ক্ষেত্রে ‘রেস্ট-টাইম’ মেইনটেইন করা।

৬. সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা।

৭. ঝড়-বৃষ্টির সময় এসি বন্ধ রাখা।

৮. নিম্নমানের এসি ব্যবহার না করা।

৯. কম্প্রেসারে সঠিক পদ্ধতিতে রেফ্রিজারেন্ট চার্জ করা।

১০. সঠিকভাবে এসির ভ্যাকুয়াম করা

sheikh mujib 2020