advertisement
আপনি পড়ছেন

ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের (পিআইজে) পশ্চিম তীর ভিত্তিক নেতা বাসাম আল-সাদিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েল। তাকে গ্রেপ্তারের পর প্রতিশোধমূলক আক্রমণের ভয়ে ছিল ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। আর সেই ভয় থেকে মঙ্গলবার অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সমস্ত ক্রসিং বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। এ ঘটনায় গাঁজার বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

israeli authorities close gaza crossings following arrest of islamic jihad leader‘ভয়ে’ গাজা ক্রসিং বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল!

দ্য নিউ আরবের সাথে কথা বলার সময় গাজা উপত্যকায় বাণিজ্যিক বিষয়ের দায়িত্বে থাকা ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা রায়েদ ফাতুহ বলেছেন, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ কারণ উল্লেখ না করেই তাদের কেরেম শালোম ক্রসিং বন্ধ করার কথা জানিয়েছে। ক্রসিং থেকে রপ্তানির জন্য নির্ধারিত ফিলিস্তিনি পণ্য ফেরত দিয়েছে এবং গাজার উপত্যকার একমাত্র বাণিজ্যিক বন্দর থেকে ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের বহিষ্কার করেছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বেইট হ্যানউন (ইরেজ) ক্রসিংও বন্ধ করে দিয়েছে, যে পথ দিয়ে গাজার নাগরিকরা উপত্যকা থেকে ইসরায়েল এবং পশ্চিম তীরে চলাচল করে থাকে। তবে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি হাসপাতালে গুরুতর রোগীদের বহন করার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত করেতে দেওয়া হচ্ছে।

গতকাল সোমবার রাতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আল-সাদিকে গ্রেপ্তার করে। এ উপলক্ষ্যে পশ্চিম তীরের জেনিনে পরিচালিত একটি সামরিক অভিযানের সময় একজন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইসরায়েল বাহিনী, অপর একজন আহত হয়।

একটি প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পিআইজের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেড সতর্কতা জারি করেছে। তারা প্রস্তুতির মাত্রা্ও বাড়িয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভেচাই আদ্রিয়া একটি প্রেস বিবৃতিতে দাবি করেছেন, পিআইজের কার্যকলাপের মূল্যায়নের ভিত্তিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ভয়ে গাজা উপত্যকার নিরাপত্তা বেড়া সংলগ্ন এলাকা এবং রাস্তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরাসরি লক্ষ্যবস্তু এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত রাখার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েল নিয়মিতভাবে নিরাপত্তার ছদ্মবেশে এই কৌশলগুলো ব্যবহার করে আসছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, এই ধরনের সিদ্ধান্ত দুপক্ষকেই কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।