advertisement
আপনি পড়ছেন

মস্কো আবারও দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। মার্কিন অস্ত্র ও তথ্যের ভিত্তিতে ইউক্রেন যেসব হামলা চালাচ্ছে তার প্রেক্ষিতে মস্কো এ দাবি করেছে। খবর আল জাজিরা।

a himars systemহাইমার্স রকেট সিস্টেম

ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের উপ-প্রধান ভাদিম স্কিবিটস্কির মন্তব্যের ওপর ভিত্তি মস্কো এ দাবি করে। ভাদিম স্কিবিটস্কি সম্প্রতি মন্তব্য করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার হাইমার্স রকেট সিস্টেমের মাধ্যমে হামলা চালিয়ে তারা বেশ সাফল্য পেয়েছেন। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এর স্যাটেলাইট চিত্র এবং রিয়েল-টাইম তথ্যগুলো চমৎকার ছিল।

যুক্তরাজ্যের টেলিগ্রাফ পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে স্কিবিটস্কি আরো বলেন, হামলার আগে মার্কিন ও ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা করা হয়। তবে তিনি দাবি করেন, মার্কিন কর্মকর্তারা সরাসরি লক্ষ্যবস্তুর তথ্য সরবরাহ করছেন না।

vadym skibitskyইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের উপ-প্রধান ভাদিম স্কিবিটস্কি

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র এর আগে অনেকবার দাবি করেছে, তারা মস্কোর সাথে সরাসরি কোনো সংঘর্ষ চায় না, সে কারণে তারা কেবল অস্ত্র সরবরাহের মধ্যেই তাদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ রাখবে। কিন্তু ইউক্রেনের স্কিবিটস্কির কথায় বুঝা যাচ্ছে, কিয়েভের চালানো হামলাগুলোতে ওয়াশিংটন সরাসরি জড়িত ছিল।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, অনস্বীকার্যভাবে প্রমাণিত যে, হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের দাবির বিপরীতে ইউক্রেনের সংঘাতে ওয়াশিংটন সরাসরি জড়িত। সম্মিলিত ইউক্রেন-মার্কিন এসব হামলায় দনবাসসহ অন্যান্য অঞ্চলে অনেক বেসামরিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ অভিযোগের ব্যাপারে হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে শস্য চুক্তির আওতায় ইউক্রেন থেকে শস্যবাহী প্রথম জাহাজটি নিরাপদে লেবাননের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তুরস্ক আশা প্রকাশ করছে, চুক্তিটি কার্যকর থাকা পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিন একটি শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেনের বন্দর ছেড়ে যাবে।

তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় গত মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে একটি শস্য ও সার রপ্তানি চুক্তি সই হয়। ইউরোপের রুটির বাস্কেট হিসাবে পরিচিত ইউক্রেনে নতুন ফসল উঠছে। তবে সেগুলো রাখার জন্য প্রাথমিকভাবে ওডেসা, পিভডেনি ও চোরনোমর্স্কের ২০ মিলিয়ন টন শস্য রপ্তানির আশা করছে ইউক্রেন।