advertisement
আপনি পড়ছেন

জাপানি শহর হিরোশিমায় বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা হামলার ৭৭তম বার্ষিকী আজ (৬ আগস্ট)। এই দিবসটিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর পাশাপাশি নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস। তবে অনুষ্ঠানে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

antenio guteresআন্তোনিও গুতেরেস

জাতিসংঘ প্রধান গুতেরেস আজ শনিবার হিরোশিমার কেন্দ্রস্থলে পিস পার্কে দিবসটি পালন উপলক্ষে হাজার হাজার লোকের সাথে যোগ দেন। হিরোশিমায় ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহত হয়েছিল ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষ।

গুতেরেস বলেন, পারমাণবিক অস্ত্র একটি খারাপ ধারনা। এই অস্ত্র কোনো নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না, শুধু মৃত্যু ও ধ্বংস ডেকে আনে। প্রায় এক শতাব্দির কাছাকাছি সময় পর আমাদের ভাবতে হচ্ছে, আমরা ১৯৪৫ সালে বোমা মেরে কী শিখেছি।

hiroshima dangerous sightপারমাণবিক বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল হিরোশিমা শহর

খবরে বলা হয়, হিরোশিমার মেয়র কাজুমি মাতসুই রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাননি। কাজুমি ইউক্রেনে মস্কোর সামরিক পদক্ষেপের চরম সমালোচক। তিনি বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা মানবতার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব অর্জন করতে চাই।

১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ইউএস বি-২৯ যুদ্ধবিমান এনোলা গে ‘লিটল বয়’ নামে একটি পারমাণবিক বোমা ফেলে এবং আনুমানিক ৩ লাখ ৫০ হাজার জনসংখ্যার শহরটিকে ধ্বংস করে দেয়। বিকিরণে পরে আরও হাজার হাজার লোক মারা যায়।

১৯৪৫ সালে আজকের এই দিনে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড বাতাসে মানুষ যখন চিৎকার করে উঠেছিল, ঠিক সে মুহূর্তে শনিবার হিরোশিমায় শান্তির ঘণ্টা বেজে উঠল। এসময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাসহ জনতা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

প্রধানমন্ত্রী কিশিদা হিরোশিমাকে আগামী বছরের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের স্থান হিসাবে বেছে নিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বকে পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগ করার আহ্বান জানাতে চান। হিরোশিমায় হামলার পর ৯ আগস্ট নাগাসাকিতেও মার্কিন সামরিক বাহিনী পারমাণবিক বোমা হামলা করেছিল। এতে তাৎক্ষণিক নিহত হয় ৭৫ হাজার মানুষ।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর