advertisement
আপনি পড়ছেন

ইরানের সাথে করা পরমাণু চুক্তি পুনর্বহাল ও তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শনিবার অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের শীর্ষ আলোচক আলী বাঘেরি কানির সঙ্গে ইইউ সমন্বয়কারী ডেপুটি ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধান এনরিক মোরা বৈঠক করেছেন। তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে তারা আলোচনায় জোর দেন। খবর আইআরএনএ।

irans bagheri kani eus mora meet in viennaবৈঠকে ইরানের বাঘেরি ও ইইউর মোরা

এর আগে আলি বাগেরির নেতৃত্বে ইরানের একটি প্রতিনিধি দল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আলোচনার জন্য ভিয়েনায় পৌঁছে। এনরিক মোরা বৈঠকের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

একজন ইরানি কূটনীতিক আইআরএনএকে জানিয়েছেন, চুক্তির স্থায়িত্ব নির্ভর করবে ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপের ওপর। আমাদের পক্ষ থেকে তা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে তারা (পশ্চিমারা) অবিরাম ত্রুটি খুঁজতে ব্যস্ত রয়েছে। চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার ক্ষেত্রে ত্রুটিগুলোকে অজুহাত হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) বা ইরানের পরমাণু চুক্তি পুনর্বহালের প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। চুক্তিটি কার্যকরে সর্বশেষ গত সপ্তাহেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনীতিকরা অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় মিলিত হন।

তুরস্কভিত্তিক গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ইরানকে জোর করে চুক্তিতে আনতে চাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা ইরানের ওপর ব্যাপক চাপ দিচ্ছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ইতোমধ্যে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানিকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে উন্নত সেন্ট্রিফিউজে হেক্সাফ্লোরাইড গ্যাস প্রবেশ করানো শুরু করেছে।

২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির চুক্তি হয়। চুক্তির শর্ত ছিল, ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জনে চেষ্টা করবে না। অপরদিকে ইরানের ওপর মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। তবে চুক্তিটি মানতে চাননি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি চুক্তি ভেঙ্গে ইরানের ওপর আবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন পরমাণু কর্মসূচির অজুহাত তুলে। 

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর