advertisement
আপনি পড়ছেন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার ফলে শস্য রপ্তানি করতে পারছিল না ইউক্রেন। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চুক্তির পর কিয়েভের রপ্তানি করা শস্যের প্রথম চালানটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে লেবানন। ঠিক সময়ে পণ্য সরবরাহ না করায় লেবানিজ ক্রেতারা এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ফলে রপ্তানি কর্তৃপক্ষ এখন অন্য ক্রেতা খুঁজছে। খবর রয়টার্স।

cargo ship razoniখাদ্যশস্য রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ ইউক্রেন

লেবানন দূতাবাস এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পণ্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক বিলম্বে পৌঁছানোর কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রেতারা।

রাশিয়ার চালানো হামলার কারণে পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে শস্য রপ্তানি করতে পারছিল না ইউক্রেন। পরে জাতিসংঘের উদ্যোগে এবং তুরস্কের মধ্যস্থতায় শস্য রপ্তানির চুক্তিতে সই করে রাশিয়া ও ইউক্রেন। চুক্তিটি কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের বন্দরে আটকে থাকা শস্য রপ্তানিকে নিরাপদ করার নিশ্চয়তা দেয়। এরই আওতায় খাদ্যশস্য নিয়ে লেবাননে পৌঁছেছিল সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ রাজোনি। এটি গত ১ আগস্ট ২৬ হাজার ৫২৭ টন ভুট্টা নিয়ে ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর ছেড়ে যায়।

ukraine wheetখাদ্যশস্য রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ ইউক্রেন

এদিকে লেবানন পণ্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে জাহাজটিকে পণ্য খালাসের জন্য অন্য ক্রেতা বা দেশ খুঁজতে হচ্ছে। আপাতত এটি গন্তব্য পরিবর্তন করে তুরস্কের মেরসিন বন্দরে নোঙ্গর করেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের খাদ্যশস্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শীর্ষ তালিকার দুই দেশ রাশিয়া ও ইউক্রেন। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানো শুরু করলে এ দুই দেশ থেকে প্রায় সব ধরনের রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক খাদ্য ঘাটতি, এমনকি দুর্ভিক্ষের প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এ অবস্থায় তুরস্কের মধ্যস্থতায় শস্যবাহী জাহাজ চলাচলের ব্যাপারে সমঝোতায় পৌঁছায় রাশিয়া-ইউক্রেন।

তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই চুক্তির অধীনে ১ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ২ লাখ ৪৩ হাজার টন খাদ্যপণ্য নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে মোট সাতটি শস্যবাহী জাহাজ ইউক্রেন ছেড়েছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর