advertisement
আপনি পড়ছেন

সর্বনাশ যা হওয়ার আগেই হয়ে গেছে। টি-টোয়েন্টি সংস্করণের পর ওয়ানডে সিরিজেও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারতে হয়েছে। অবশেষে মান বাঁচিয়েছে বাংলাদেশ; এড়িয়েছে হোয়াইটওয়াশ। আজ বুধবার মান বাঁচানোর লড়াইয়ে জিম্বাবুয়েক ১০৫ রানের বিরাট ব্যবধানে হারিয়েছে তামিম ইকবালের দল। ম্যাচ সেরা হয়েছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।

bangladesh players celebrate a wicketজিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ দুর্দান্ত বোলিং করেছে বাংলাদেশ

যথারীতি টানা তৃতীয় ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। এনামুল হক বিজয় ও আফিফের ব্যাটিং দৃঢ়তায় আড়াই শ’ ছাড়ায় টাইগাররা। নয় উইকেটে ২৫৬ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি গড়ে তারা। জবাবে ৩২.২ ওভারে ১৫১ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে হেরে তিন ম্যাচের সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে টাইগারদের আজকের শুরুটাও ছিল আশা জাগানিয়া। এরপরই মড়ক লাগে ব্যাটিং অর্ডারে। ছয় রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান যোগ করেন এনামুল ও তামিম। জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে। ৩০ বলে ১৯ রানে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম রানের খাতা খুলতে পারেননি। এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান ওপেনার বিজয়। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেন তিনি। দলীয় ১২৪ রানে জুটি ভাঙে বিজয় আউট হলে। ৭১ বলে ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন তিনি।

পরে মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ আরেকটি কার্যকর জুটি গড়েন। কিন্তু দলীয় ১৭৩ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন মাহমদউল্লাহ। ৬৯ বলে ৩৯ রানে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। আফিফ শেষ পর্যন্ত থাকলেন অপরাজিত। ৮১ বলে ৮৫ রান করেন আফিফ। তার ব্যাটিংয়ের সুবাদেই আড়াই শ’ পার করে টাইগাররা। জিম্বাবুয়ের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন ব্রাড ইভান্স ও লুক জঙ্গী।

প্রথম ম্যাচে ৩০৩ রানের পাহাড় গড়েও হেরেছে বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে ২৯০ রান তুলেও হার এড়াতে পারেনি টাইগাররা। খুব স্বাভাবিকভাবেই আজকের রানটা অনেক কমই মনে হচ্ছিল। যথারীতি রান তাড়ায় এদিনও বিপর্যয় নেমে আসে জিম্বাবুয়ে শিবিরে। কিন্তু রূপকথা প্রতিদিন হয় না। তাই স্বাগতিকদের কেউ আজ বুক চিতিয়ে দাঁড়াতেও পারেনি।

৪৯ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়ের পাঁচ উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করা সিকান্দার রাজা ফেরেন শূন্য রানে। আসা-যাওয়ার মিছিলে এক শ’র আগে অলআউটের আশঙ্কায় পড়ে জিম্বাবুয়ে। ৮৩ রানের মধ্যে নয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। পরে দেন শেষ দুই ব্যাটার রিচার্ড এনগারাভা ও ভিক্তর নিয়াউচি কিছুটা ভোগালেন বাংলাদেশকে। দুজন মিলে দেড় শ’ পার করেন।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ রানও করেছেন এই দুজন। ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন এনগারাভা। নিয়াউচি ফেরেন ২৬ রানে। এ ছাড়া ক্লাইভ মাডানে ২৪ রান করেন। ১৭ রানে চার উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ধসিয়ে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি করে উইকেট নেন ইবাদত হোসেন ও তাইজুল ইসলাম। যদিও প্রথম দুটি শিকার করেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদি হাসান মিরাজ।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর