advertisement
আপনি পড়ছেন

ইউক্রেনের বিমান বাহিনী দাবি করেছে, ক্রিমিয়ার সাকি বিমান ঘাঁটিতে গত মঙ্গলবার যে মারাত্মক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে তাতে নয়টি রাশিয়ান যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। তবে এ দাবি উড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। ক্রেমলিন এই ঘটনাকে অভ্যন্তরীণ কারণে বিস্ফোরণ বললেও কেউ কেউ দাবি করছে, কিয়েভের হামলার কারণে এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়। খবর এপি।

rising smoke at saki air baseসাকি বিমানঘাঁটি থেকে ওঠা ধোঁয়া

আরো বড় সংঘাত এড়াতে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করছেন না। তবে অসতর্ক ধূমপায়ীর কারণে বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে- রাশিয়ার এমন ব্যাখ্যাকে তারা উপহাসের দৃষ্টিতে দেখছেন। বিস্ফোরণের এ ঘটনায় একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। ক্রিমিয়ার আঞ্চলিক নেতা সের্গেই আকসিওনভ বলেছেন, কয়েক ডজন অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর প্রায় ২৫০ জন বাসিন্দাকে অস্থায়ী আবাসনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সাকি বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক ভাষণে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ ঘটনার সাথে নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততার কথা না বললেও তিনি জানান, ইউক্রেনসহ সমস্ত মুক্ত ইউরোপের বিরুদ্ধে এই রাশিয়ান যুদ্ধ ক্রিমিয়া দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং ক্রিমিয়ার মুক্তির সাথেই এর শেষ হতে হবে।

a satellite image of saki air baseস্যাটেলাইট থেকে তোলা সাকি বিমানঘাঁটির ছবি

ইউক্রেনের সামরিক বিশ্লেষক ওলেহ ঝদানভ বলেন, অফিসিয়ালি কিয়েভ এ বিষয়ে মুখ বন্ধ রেখেছে, কিন্তু বেসরকারিভাবে সামরিক বাহিনী স্বীকার করেছে, এটি একটি ইউক্রেনীয় হামলা ছিল।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রকৃতপক্ষে বিস্ফোরণের জন্য দায়ী হয়ে থাকে, তবে এটি হবে ক্রিমিয়ান উপদ্বীপে রাশিয়ান সামরিক সাইটে প্রথম বড় হামলা, যা ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেন থেকে দখল করে নিয়েছিল। এ অঞ্চলটি বিবাদমান দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ক্রেমলিন এ যুদ্ধ শেষ করার জন্য ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতির দাবিকে শর্তের অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্যদিকে ইউক্রেন এ অঞ্চল থেকে সব রাশিয়ানকে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর