আপনি পড়ছেন

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত আট বছরে করোনা মহামারি, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্বসহ কিছু কারণে জনপ্রিয়তায় খানিকটা ভাটা পড়েছে তার। তবুও দেশটির ভোটারদের কাছে অন্যান্য রাজনৈতিক নেতার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় মোদি। তার ধারেকাছেও কেউ নেই। টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ব্লুমবার্গ।

bjp and modiনরেন্দ্র মোদি

গতকাল শুক্রবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত এক জরিপের ফলাফলে এ কথা জানিয়েছে ভারতের বিখ্যাত সাময়িকী ইন্ডিয়া টুডে।

ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের জনপ্রিয়তা নিয়ে সম্প্রতি পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, দেশটির প্রাপ্তবয়স্ক জনগণের ৫৩ শতাংশ এখনও প্রধানমন্ত্রীর পদে নরেন্দ্র মোদিকেই পছন্দ করেন। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৯ শতাংশ লোক। আর আম আদমি পার্টির শীর্ষ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে পছন্দ করেন ৭ শতাংশ জনগণ।

bjp logoবিজেপির প্রতীক

ইন্ডিয়া টুডে ও নির্বাচনী জরিপ সংস্থা সি-ভোটার যৌথভাবে ‘মুড অব দ্য নেশন’ নামের জরিপটি চালায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি আগস্টের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। দেশজুড়ে জরিপটিতে অংশ নেন ১ লাখ ২২ হাজার ১৬ জন ভারতীয়।

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সরকারকে হটিয়ে ভারতে ক্ষমতাসীন হয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি। মোদি হাওয়ায় ভর করে ২০১৯ সালের নির্বাচনেও জয়ী হয় বিজেপি। এতে টানা আট বছর ধরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির জনপ্রিয়তার ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও জয়ী হবে বিজেপি। তাতে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি।

ভারতের লোকসভার আসনসংখ্যা ৫৪৩টি। কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চাইলে ন্যূনতম ২৮৬ আসনে জয়ী হতে হয়। ২০১৯ সালে বিজেপি ও তার মিত্ররা জয় পেয়েছিল মোট ৩০৭টি আসনে।

তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে সংখ্যাটি কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা অনেক বিশেষজ্ঞের। কারণ এরইমধ্যে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করেছে প্রধান দুই মিত্র দল বিহারের জেডিইউ ও পাঞ্জাবের শিরোমণি আকালি। তারপরও যদি এখনই নির্বাচন হয়, তবে মোদির ভাঁড়ারে জমা হবে ২৮৬ আসন।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর