আপনি পড়ছেন

জাপান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশের কাছে ড্রোন বিক্রি করবে তুরস্ক। জাপানের রাজধানী টোকিওতে এক সংবাদ সম্মেলনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু সোমবার এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া তুর্কি প্রতিরক্ষা সংস্থা বেকার থেকে সশস্ত্র ড্রোন কেনার জন্য গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্যের পরে বেশ কয়েকটি দেশে এ ড্রোন সরবরাহ করেছে তুরস্ক। খবর রয়টার্স।

turkey says malaysia indonesia interested in buying armed drones

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সবচেয়ে আনন্দের সাথে জাপানের ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করব। জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে টোকিও যান মেভলুত।

খবরে বলা হচ্ছে- সিরিয়া, ইউক্রেন এবং লিবিয়ায় সংঘাতের কারণে তুর্কি ড্রোনের আন্তর্জাতিক চাহিদা বেড়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর রয়টার্স জানিয়েছিল, বেকার এই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০টি সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রের পারফরম্যান্স তুর্কি ড্রোন পেতে সৌদি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আগ্রহের জন্ম দেয়। লিবিয়া, আর্মেনিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে সফল পারফরম্যান্সের পরে তুর্কি ড্রোনের চাহিদা প্রসারিত হতে থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবসহ আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে তুরস্কের ড্রোনের চাহিদা আছে। কারণ দেশগুলো ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় প্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাছাড়া সৌদি আরব ইরানি ড্রোনের কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, তুর্কি প্রতিরক্ষা সংস্থা বেকার এই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০টি সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করেছে এবং আরও বিক্রি করতে পারে। বিষয়টি একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তাছাড়া রিয়াদ আঙ্কারা থেকে বায়রাক্টার টিবি২ ড্রোন পেতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে সৌদি আরব তুর্কি ড্রোন তৈরির জন্য একটি স্থানীয় কারখানাও স্থাপন করতে চেয়েছে। তুর্কি কর্মকর্তা বলেন, বেকার একটি ড্রোন উৎপাদন কারখানার জন্য সৌদি অনুরোধ বিবেচনা করছে। তবে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান তাৎক্ষণিক সাড়া দেননি বলে খবরে বলা হচ্ছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর