আপনি পড়ছেন

লেবাননে তীব্র বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে কেবল বাড়িঘর, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না বরং সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এর ফলে মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলিও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

lebanons archaeological sites at risk due to power shortagesবিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে ঝুঁকির মুখে লেবাননের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

বৈরুতের জাতীয় জাদুঘরে বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। আগস্ট মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থা থেকে দিনে মাত্র এক বা দুই ঘন্টা বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। জেনারেটর চালানোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থও ছিল না প্রতিষ্ঠানটির।

পর্যটক মারিয়েলা রুবিওর তোলা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, দর্শকরা মোবাইল ফোনের লাইটের মাধ্যমে যাদুঘরের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন ফেলে দেয়।

আল জাজিরাকে রুবিও বলেন, ‘বিদ্যুতবিহীন অবস্থায় জাদুঘরটিকে দেখতে পাওয়া একটি দুঃখজনক অভিজ্ঞতা ছিল। এটি পুরো দেশের পরিস্থিতিকে রূপকভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। লেবাননের অর্থনীতি এবং জ্বালানি ব্যবস্থার বাস্তব পরিস্থিতি কেমন সে সম্পর্কে একটি নিখুঁত উপলব্ধি করার সুযোগও দিয়েছে।‘

তিনি জানান, লোডশেডিংয়ের কারণে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দর্শনার্থীদের কাছ থেকে কোন অর্থ নেয়নি।

এদিকে লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাদুঘরটিকে জেনারেটরের জ্বালানি কেনার জন্য তহবিল সরবরাহ করা হয়েছে। এর ফলে আপাতত পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গেছে। কিন্তু তহবিল শেষ হয়ে গেলে জাদুঘরটিকে চালু রাখার জন্য নতুন কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, লেবানন বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকগুলিতেও নেই পর্যাপ্ত অর্থ। দেশটি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক অবস্থা এই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সংকট কাটাতে দেশটি আইএমএফের দ্বারস্থ হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর