আপনি পড়ছেন

সম্প্রতি ইয়েমেনে শেষ হয়েছে ছয় মাসের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। এই বিরতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছিল জাতিসংঘ। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৪ সালে শুরু হয় ইয়েমেন যুদ্ধ। ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সৌদি সামরিক জোটের মধ্যে এই যুদ্ধ হাজার হাজার প্রাণহানি ঘটায়। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

no extension on yemeni ceas একজন ইয়েমেনি সেনা

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে ব্যর্থতার জন্য জাতিসংঘের বিশেষ দূত হ্যানস গ্রুন্ডবার্গ রোববার এক বিবৃতিতে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আরও ছয়মাসের যুদ্ধবিরতির চেষ্টায় ছিলাম, কিন্তু সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। যুদ্ধবিরতি বাড়ানো সম্ভব হলে জনগণ আরও গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাদি ভোগ করতে পারত।’

সুইডিস কূটনীতিকের উদ্ধৃতি দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, দুপক্ষকে শান্তিরক্ষায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন যিনি, যাতে ইয়েমেনি জনগণ শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকতে পারে।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দুই মাসের জন্য যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দুপক্ষ। এরপর আরও দুই মাস করে দুইবার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মোট ছয়মাসের যুদ্ধবিরতি শেষ হলো। জাতিসংঘের তথ্যমতে, এই যুদ্ধে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। ইয়েমেনের ২৩.৪ মিলিয়ন বা ২ কোটি ৩৪ লাখ লোক মানবিক সহায়তার দিকে তাকিয়ে আছে।

ইয়েমেন যুদ্ধে হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল কোম্পানিগুলোকে টার্গেট করে ড্রোন ও রকেট হামলা চালাত।

হুথি মিলিটারি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এক টুইটে বলেছেন, আমিরাত ও সৌদিতে কাজ করা তেল কোম্পানিগুলোকে অবিলম্বে আরব ছাড়তে হবে। তেল সম্পদে ইয়েমেনি জনগণের অধিকার রয়েছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর