আপনি পড়ছেন

শত বিতর্কের মাঝেও সফলতার সাথে কাতার বিশ্বকাপ সমাপ্তির আভাস দিয়েছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ফিফা। শেষ পর্যন্ত কতটা সফল হবে এবারের বিশ্বকাপ আসরটি, সেটা সময়েই বলে দেবে। তবে এরমধ্যে সুফল পেতে শুরু করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।

opening 1আয়ের দিক থেকে অনেকটাই সফল কাতার বিশ্বকাপ

কাতার বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে ফিফা রেকর্ড ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৭৭৬ বিলিয়ন। এরমধ্যে ট্যাক্স বাদ দিয়ে ফিফার নিট আয় ৬১১ বিলিয়ন টাকা। ইতোমধ্যেই ফিফা তার দুই শতাধিক সদস্যকে এই তথ্য জানিয়ে দিয়েছে।

এরমধ্যে ১ বিলিয়নেরও বেশি (মার্কিন ডলার) এসেছে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের সাথে জড়িত বাণিজ্যিক সংস্থা থেকে। আয়োজক দেশ কাতারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে করা বাণিজ্যিক চুক্তি থেকেও বাড়তি আয় করেছে ফিফা। এরমধ্যে অন্যতম কাতার এনার্জি।

এছাড়াও রয়েছে কাতার ব্যাংক কিউএনবি এবং টেলিকমিউনিকেশন ফার্ম ওরেডু। রাশিয়া এবং কাতারের প্রধান সম্প্রচার চুক্তি ২০১১ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সেপ ব্ল্যাটারের সময় স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

আগামী চার বছরে ফিফার আয় বাংলাদেশি টাকায় ৮১৫ বিলিয়ন হতে পারে। পরবর্তী বিশ্বকাপ ২০২৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী বিশ্বকাপে ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮ দল অংশ নেবে। যেটা ফুটবল বিশ্বের জন্যও দারুণ খবর। ফিফা বলছে, দল বাড়লে বিশ্বকাপ আরও জমজমাট হবে। সেজন্য এমন পন্থা বেছে নিয়েছে সংস্থাটি।