আপনি পড়ছেন

বিভিন্ন অজুহাতে চিনির দাম বাড়িয়ে বলা হয়েছিল, শিগগির সংকট কেটে যাবে। তবে তা হয়নি। এরপর চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে দাম নির্ধারণ করে সরকার। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০২ ও প্যাকেটজাত চিনি ১০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সে চেষ্টাও ব্যর্থ। এখন বাজারে সব ধরনের চিনি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে আরও বেড়েছে আটার দাম এবং কিছুটা দাম কমেছে পেঁয়াজের। শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। 

suger priceবাজারে চিনির দাম বেড়েছে

রাজধানীর মিরপুরের কয়েকটি বাজারে গিয়ে জানা যায়, দোকানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি। মিরপুর-১২ সেকশন বাজারে কথা হয় রফিকুল ইসলাম নামে এক মুদি দোকানির সঙ্গে। তিনি  বলেন, সরকার দাম ঠিক করে দিয়েছে, তবে কোম্পানি তাদের বেশি দামেই চিনি দিচ্ছে। তাদের কেনাই পড়ছে ১১০ টাকার ওপরে। নির্ধারিত দামে বিক্রি করা সম্ভব না।

অন্যদিকে, প্যাকেট আটা কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা ও খোলা আটা ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আমদানি করা রসুনের দাম ১৩০-১৪০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০-১১০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫-১০ টাকা কমে ৪০-৫০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ৫ টাকা কমে ৪০-৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলাজাত তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা ও খাশির মাংস ৯০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা, সোনালি ২৫০ টাকা ও দেশি মুরগী ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা ও হাঁসের ডিম প্রতি ডজন ২১০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। 

বাজার করতে আসা শফিকুল ইসলাম বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই। মুদি পণ্যের দাম যে যেভাবে পারছে বাড়াচ্ছে। একবার যেটা বাড়ছে সেটা আর কমছেই না। ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। তাই মানুষ কম কিনছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর