আপনি পড়ছেন

যাত্রীবাহী বাস থেকে প্রায় ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য পাঁচ কোটি টাকা। এ সময় স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ভারতীয়সহ ১২ জনকে আটক করা হয়। শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তল্লাশি চালিয়ে এ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। 

gold bar 2019কেরানীগঞ্জে যাত্রীবাহী একটি বাস থেকে ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার

গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৯ জন বাংলাদেশি ও তিনজন ভারতীয়। তারা হলেন- রাহাত খান, মোহসিন আল মাহমুদ, কাজী মামুন ও সৈয়দ আমীর হোসেন, শামীম, মামুন, বশির আহমেদ কামাল, মামুন সরকার, আতিকুর রহমান মীনা। আর ভারতীয় তিনজন হলেন- নবী হুসাইন, শাহাজাদা ও মোহাম্মদ ইমরান। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে তাদের সোপর্দ করা হয়েছে।

এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সানজিদা খানম। শনিবার, ২৬ নভেম্বর কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানতে পারে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় গাবতলীর মাজার রোড থেকে বাবুবাজার সেতু হয়ে দর্শনাগামী পূর্বাশা পরিবহন ও রয়েল পরিবহন দুটি এসি বাসে যাত্রীদের মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালান হতে পারে। এরপর গোয়েন্দাদের একটি দল শুক্রবার রাত ৩টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকায় বাস থামিয়ে তল্লাশি করে। সন্দেহভাজন যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের কাছে স্বর্ণ থাকার কথা অস্বীকার করেন। পরে সন্দেহভাজন যাত্রীদের শরীরে স্বর্ণ আছে কি না, তা নিশ্চিত হতে ঝিলমিল হাসপাতালে নিয়ে এক্স-রে করা হয়।

এতে ১২ যাত্রীর মধ্যে পাঁচজনের পায়ুপথে, সাতজনের লাগেজের হ্যান্ডলবার, মানিব্যাগ, কাঁধব্যাগে মোট সাত কেজি ৪৩২ গ্রাম বা ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তবে এ স্বর্ণ আমদানি বা ক্রয়ের সপক্ষে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তারা।আটকরা স্বর্ণ চোরাচালনচক্রের সদস্য।