আপনি পড়ছেন

যমুনা ব্যাংকের ভল্টে পাওয়া গেছে জাল ও প্রচলন অযোগ্য নোট। সম্প্রতি যমুনা ব্যাংকের বগুড়ার শেরপুর এসএমই শাখায় পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। পরিদর্শনে এসব অনিয়ম পেয়েছেন কর্মকর্তারা।

jamuna bank sherpur sme braযমুনা ব্যাংকের শেরপুর এসএমই শাখা

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যমুনা ব্যাংকের ওই শাখায় সাতটি ৫০০ টাকার জাল নোট এবং ৪৫৫টি প্রচলন অযোগ্য নোট পাওয়া গেছে। এক শাখায় এত বেশি সংখ্যাক জাল ও বাতিল নোট থাকার কথা না। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দীয় ব্যাংক।

বাতিল নোটের মধ্যে ছিল- ৩৬৯টি ৫০০ টাকা এবং ৮৬টি ১০০ টাকার নোট। আলাদা একটি নোটের অংশ কেটে জোড়া লাগানো বা বিল্টআপ নোট ছিল ২১৫টি। নোটের দুই পাশে নম্বরের মিল নেই এমন নোট ছিল ২০টি। আর বহু খণ্ডে খণ্ডিত নোট ছিল ১৯১টি। সব মিলিয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ১০০ টাকার মূল্যমানের প্রচলন অযোগ্য নোট ছিল। এছাড়া সেখানে ২২টি নোট পাওয়া গেছে যেগুলো অন্য শাখার 'পেমেন্ট রিফিউজড' বা প্রচলনের অযোগ্য সিল বসানো ছিল।

জানা গেছে, এসএমই ঋণ-সংক্রান্ত পরিদর্শনের জন্য গত ৭ সেপ্টেম্বর শেরপুর এসএমই শাখায় যান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বগুড়া অফিসের তিন কর্মকর্তা। ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর আগেই তারা ব্যাংকের ভল্টে প্রবেশ করেন। সেখানে গিয়ে তারা ওইসব জাল ও বাতিল নোট পান। পরে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বগুড়া কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যমুনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদকে সম্প্রতি চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

যমুনা ব্যাংকের শেরপুর শাখার ব্যবস্থাপক আহসানুল হক বলেছেন, আমি এখানে জয়েন করেছি এক মাস হলো। জাল ও বাতিল নোটের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিদের্শনার পর আগের ব্যাস্থাপককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে যমুনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর