আপনি পড়ছেন

তুরস্ক-মিশর স্বাভাবিক সম্পর্কে ফিরে যাচ্ছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান সে রকম ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মিশরের সাথে সুসম্পর্ক হলে তা সিরিয়ার ওপরও প্রভাব পড়বে। রাজনীতিতে কঠোরতা থাকতে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

erdogan fattah ccআবদেল ফাত্তাহ সিসি ও রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান

কাতারে বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ সিসির সাথে বৈঠক করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। সেই বৈঠকের কথা উল্লেখ করে এরদোয়ান বলেন, সিসির সাথে বৈঠক করতে পেরে আমরা খুশি, সিসিও খুশি হয়েছেন। আশা করি মিশরের সাথে তুরস্কের সম্পর্ক স্বাভাবিকরণে মন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

এরদোয়ান বলেন, আমরা ৯ বছর একটি সমস্যার মধ্যে ছিলাম। কাতারের আমির তুরস্ক-মিশরের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপনে মধ্যস্থতা করেছেন। এরপর তুরস্ক-মিশর বৈঠক হয়েছে। এখন থেকে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে দুদেশের মধ্যে। দুদেশ পরস্পরের প্রতি আর বিরক্তি প্রকাশ করতে চায় না।

এদিকে ভূমধ্যসাগরেও মিশর-তুরস্কের মধ্যে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, যেহেতু সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ শুরু হয়েছে, দুদেশের মন্ত্রীরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। আমরা ভূমধ্যসাগরে একত্রে কাজ করব। মিশরীয় জনগণ ও তুরস্কের শক্তি এক হলে আমরা ভাল কিছু করব। এই একতা থেকে দূরে থাকা ঠিক নয়।

এরদোয়ান বলেন, যারা মিশরের সাথে তুরস্কের অসন্তোষের কারণে সুবিধার মধ্যে ছিল, এখন তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। আমিরাতের সাথে আমাদের ভাল সম্পর্ক রয়েছে। আমরা এই সম্পর্ক কাজে লাগাতে চাই। আমরা চাই না কেউ এ কারণে বিরক্ত হোক।

গত সপ্তাহে এরদোয়ান বিশ্বকাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কাতারের রাজধানীতে সিসির সাথে করমর্দন ও ম্যাসেজ আদান-প্রদান করেন। ২০১৩ সালে মিশরের সামরিক অভ্যুত্থানে দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী। এরপর দেশটির প্রেসিডেন্ট হন সেনা প্রধান আবদেল ফাত্তাহ সিসি। তুরস্ক এই ঘটনায় মিশরের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক বন্ধ করে দেয়।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর