আপনি পড়ছেন

নানা বিতর্ককে পাশ কাটিয়ে সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলছে ঘটন-অঘটনের কাতার বিশ্বকাপ। চাইলেও বিতর্কগুলো পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। গ্যালারিতে এবং মাঠের বাইরে বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিতই চর্চা চলছে। যা ঘুরে-ফিরে আবার মাঠের খেলাতেই প্রত্যাবর্তন করল।

protester invades pitchরংধনু পতাকা হাতে মাঠে ঢুকে পড়েন তিনি

সাধারণত প্রিয় খেলোয়াড়ের নাগাল পেতে ভক্তদের মাঠে ঢুকে পড়াটা নতুন কিছু নয়। গতকাল পর্তুগাল-উরুগুয়ে ম্যাচেও এক সমর্থক ঢুকে পড়েছেন মাঠে। সেটা দ্বিতীয়ার্ধের সময়। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো ফুটবলারের সান্নিধ্যের কারণে এভাবে মাঠে ঢোকেননি পাগলাটে ওই ভক্ত।

তিনি সাধারণ কোনো ফুটবলপ্রেমী নন, একজন প্রতিবাদী সমর্থক। রংধনু পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে ঢুকে পড়েন তিনি। এই পতাকা মূলত সমকামিতার প্রতীক। কাতারে সমকামিতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে আগেই। এ নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছে। যা এখনও চলমান আছে। রংধনু পতাকা নিয়ে সমকামি অধিকারের দাবি জানিয়েছেন ওই ভক্ত।

ভক্তের দাবি ওখানেই শেষ ছিল না। আরও দুটি বড় বার্তা দিয়ে গেছেন তিনি। যার একটি ইরানি নারীদের প্রাপ্য সম্মান নিয়ে। পাগলাটে ওই যুবকের টি-শার্টের পেছনে লেখা ছিল ‘রেসপেক্ট ফর ইরানিয়ান উইমেন’। তাহলে সামনে কী লেখা ছিল? ভক্তের পরনের টি-শার্টের সামনে লেখা ‘সেভ ইউক্রেন’।

মাঠে আচানক ঢুকে যাওয়া ওই দর্শক ঠিক কোন দলের সমর্থক তা বোঝা যায়নি। তবে তার দাবি যে তিনটি সেটি পরিষ্কার। তার দাবিগুলো হলো- ১. কাতারে সমকামি অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ২. ইরানের নারীদের প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে। ৩. রাশিয়ার হাত থেকে ইউক্রেনকে বাঁচাতে হবে।

লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে ভক্ত যে তিনটি দাবি জানালেন, এ নিয়ে বিশ্বকাপের শুরু থেকেই চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এসব বিষয় থেকে দূরে থেকে অংশ নেওয়া ৩২ দলকে মাঠের ফুটবলে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল ফিফার তরফ থেকে।