আপনি পড়ছেন

নিউ জিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিরেন ক্রিস হিপকিন্স। তিনি দেশটির সদ্য সাবেক নেতা জেসিন্ডা অরডার্নের রাজনৈতিক মিত্র। বুধবার দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়েলিংটনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান ৪৪ বছর বয়সী এ রাজনীতিক। খবর সিএনএনের।

new zealand 1ছবি: ক্রিস হিপকিন্স

জেসিন্ডা অরডার্নের পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতা ছাড়ার এক সপ্তাহ পর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন হিপকিন্স। দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো ‘শক্তি আর নেই’ এমনটি জানিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন অরডার্ন। তার আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র বুধবার গ্রহণ করেন নিউ জিল্যান্ডের গভর্নর জেনারেল সিন্ডি কিরো।

অরডার্ন সরকারের কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলার নেওয়া উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়ে মন্ত্রী হিসেবে নিজের একটি ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন হিপকিন্স। সেই ভাবমূর্তিতে ভর করে এবার তিনি দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গায় পৌঁছে গেলেন।

দেশের পরবর্তী নেতা হওয়ার পথে গত রোববার ক্ষমতাসীন লেবার দলীয় ককাসের সর্বসম্মত সমর্থন পান হিপকিন্স, এবার আসছে অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতা ধরে রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেতৃত্ব দিতে হবে তাকে।

মতামত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, লেবার পার্টি জনপ্রিয়তায় রক্ষণশীল বিরোধীদল ন্যাশনাল পার্টির চেয়ে পিছিয়ে আছে।

কোভিড মহামারীর সময় নিউ জিল্যান্ডই প্রথম দেশ যারা তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল। এই পদক্ষেপের কারণে মহামারীর প্রথমদিকে ৫০ লাখ জনসংখ্যার দেশটি করোনাভাইরাস সংক্রমণ মুক্ত ছিল। তবে হামারী মোকাবেলায় সরকারের জিরো-টলারেন্স কৌশলে নিউ জিল্যান্ডের জনগণ ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

এর পাশপাশি আবাসন সংকট, জীবনযাপনের বাড়ন্ত খরচ, বন্ধকি সুদের হারবৃদ্ধি এবং অপরাধ নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের কারণে গত কয়েকমাস ধরে অরডার্ন সরকারের জনপ্রিয়তা কমতে থাকে, দল হিসেবে লেবার পার্টিও জনসমর্থন হারাতে থাকে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর