আপনি পড়ছেন

উত্তর কোরিয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা বেড়েছে। দেশটির রাজধানীতে (পিয়ংইয়ং) পাঁচদিনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের আগস্টে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করার পর এই প্রথম শহরব্যাপী বিধিনিষেধ এলো। এএফপির খবর।

covid koreaউত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং

উত্তর কোরিয়ার রাজধানীর বাসিন্দাদের বুধবার থেকে আগামী রোববার পর্যন্ত তাদের বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন একাধিকবার তাপমাত্রা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিউল-ভিত্তিক সাইট এনকে নিউজ একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে।

তবে বিধিনিষেধের বিজ্ঞপ্তিতে কোভিড-১৯ উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, বর্তমানে রাজধানীতে ছড়িয়ে পড়া অসুস্থতার মধ্যে রয়েছে সাধারণ সর্দি-কাশি। আবার অনেকে উপসর্গহীন।

পিয়ংইয়ং-এর সূত্রের বরাত দিয়ে এনকে নিউজ জানায়, সরকারি আদেশের উত্তর কোরিয়ার বৃহত্তম শহরটির বাসিন্দারা বিধিনিষেধে কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পণ্য মজুত করছে। অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে অনুরূপ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।

কোরিয়ান উপদ্বীপ বর্তমানে সাইবেরিয়ান ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করার আশঙ্কা করা হয়েছে। পিয়ংইয়ং-এর তাপমাত্রা মাইনাস ২২ ডিগ্রিতে নেমে গেছে। পরিস্থিতি অনেকটা চীনের মতো হতে পারে। চীন সম্প্রতি শূন্য-কোভিড নীতি পরিত্যাগ করেছে এবং এরপর থেকে সংক্রমণের ঢেউ শুরু হয়েছে। হাসপাতালে রোগী ভরে গেছে।

উত্তর কোরিয়া মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে একটি কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে, তবে চীনের সাথে কিছু বাণিজ্যের অনুমতি আছে। গত বছরের এপ্রিলে দেশটি প্রথম কোভিড প্রাদুর্ভাবের কথা স্বীকার করে এবং মাত্র তিন মাস পরে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করে। এটিকে দেশটির কর্তৃপক্ষ ‘অলৌকিক ঘটনা‘ বলে অভিহিত করেছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে পিয়ংইয়ংয়ের কোভিড পরিসংখ্যান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করেছেন। দেশটিতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত দুর্বল। মাত্র কয়েকটি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট এবং কোভিড-১৯ চিকিৎসার কোনো ওষুধ নেই। উত্তর কোরিয়ায় অল্প সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর