আপনি পড়ছেন

অনেকদিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার বাজারে ওয়াল্টন নিয়ে এলো ব্যাচেলরদের জন্য ফ্রিজ! যা শুধুমাত্র ব্যাচেলরদের কথা চিন্তা করেই তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পর ওয়ালটনের এই উদ্যোগ নিয়ে সবার উৎসাহের শেষ নেই। বাজারে এখন পর্যন্ত এই ফ্রিজের প্রতি গ্রাহকদের উৎসাহ বেশি দেখা যাচ্ছে বলে জানান দোকানিরা।

walton fridge

ব্যাচেলরদের জন্য ফ্রিজ কেনার এখনই এক সুবর্ণ সুযোগ। কারণ ঢাকার বাণিজ্য মেলার মূল দরজা দিয়ে সোজা গিয়ে ঠিক দক্ষিণের টাওয়ারের একটু সামনে গেলেই পড়বে ওয়ালটনের বিশাল প্যাভিলিয়ন।

তিন তলা বিশিষ্ট প্যাভিলিয়নটিতে লিফটও রয়েছে। নিচতলায় যার ফ্রিজ ও দুইতলায় এবং উপরের তলায় মোবাইলসহ আরো অনেক ধরনের পণ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে প্যাভিলিয়নটি। তবে ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ পাওয়া গেছে ফ্রিজ এবং ওয়াশিং মেশিনের প্রতি। ব্যাচেলরদের জন্য এটি একটি সুযোগ যেখানে তারা ফ্রিজ কিনলেই পাচ্ছে ফ্রি হোম ডেলিভারিসহ নানা ধরনের উপহার সামগ্রি।

তাছাড়াও ওয়াল্টনের সেলস অফিসার রফিউল জানায়- ২০১৫ সালে বাজারে তিনটি মডেল আনার জন্য মেলায় প্রদর্শনী দেয়া হয়েছিলো। তারপর অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এবার দুইটি ভিন্ন ডিজাইনের ফ্রিজ আনা হয়েছে। মডেল দুটির মধ্যে একটির গ্রস ভলিউম ৫.৫ সেফটি। যার মূল্য দাঁড়াবে তের হাজার নয়শত টাকা থেকে আটাশ হাজার একশত টাকা।

তবে এক্সপোর্ট কোয়ালিটির ফ্রিজগুলোর গ্রস ভলিউম হয় ১১.৫ সেফটি থেকে ৩৩ সেফটি পর্যন্ত। যার দাম ধরা হয় সাতান্ন হাজার নয়শত টাকা।

তবে এবার ওয়াল্টনের ফ্রিজ ছাড়াও দেশিয় এই ব্রান্ডের ওয়াশিং মেশিনের প্রতিও রয়েছে ভোক্তাদের কৌতূহল। কাপড় দিয়ে বাটনে চাপ দিলেই আপনার কাপড় ধুয়ে দিবে এই মেশিন। সাত কেজি কাপড় ধোয়া যায়, এমন মেশিনের দাম ধরা হয় চব্বিশ হাজার পাঁচশত টাকা। আর আট কেজি কাপড়ের জন্য ওয়াশিং মেশিনটির দাম ধরা হয় আটাশ হাজার টাকা।