আপনি পড়ছেন

ব্রিটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টি গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। গাজা ইস্যুতে দলটির গভীর অভ্যন্তরীণ বিভাজন যেন আরেকটি সংসদীয় বিদ্রোহের সৃষ্টি না করে সেজন্য যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়েছে।

destroyed gaza 31বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকা

২১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্সে গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে বিরোধী স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির প্রস্তাবে বুধবার আইনপ্রণেতারা ভোট দেবেন।

লেবার পার্টির নেতা কেয়ার স্টারমার এতদিন ধরে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবকে সমর্থন করেননি। দলীয় প্রধানের এই অবস্থান সত্ত্বেও গত বছরের নভেম্বরে লেবার পার্টির প্রায় এক তৃতীয়াংশ আইনপ্রণেতারা যুদ্ধবিরতির আহ্বানকে সমর্থন করে ভোট দিয়েছিলেন। ফলে গাজা ইস্যুতে দলটির মধ্যে স্পষ্টতই বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে। এই বিভাজন দূর করার লক্ষ্যে এবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে লেবার পার্টি। 

লেবার পার্টি গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার নিজস্ব একটি প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছে। এতে ‘অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির’ আহ্বান জানানো হয়েছে। এর ফলে দলটি তাদের নীতির পরিবর্তন করে আগের অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে এই প্রস্তাবে অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান অনুসারে কিছু শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।

লেবার পার্টির একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমাদের প্রস্তাবে আমাদের মিত্রদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। আমাদের দরকার জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া এবং তাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করা। আমাদের এখনই এই লড়াই থামাতে হবে। গাজার জন্য আমাদের একটি বিশাল মানবিক সহায়তা কর্মসূচি দরকার। এছাড়া রাফাতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।'   

এদিকে ব্রিটেনের জনমত জরিপে লেবার পার্টি এগিয়ে রয়েছে। ফলে দলটি এই বছরের শেষের দিকে অনুষ্ঠেয় একটি জাতীয় নির্বাচনে পরবর্তী সরকার গঠন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে গাজা যুদ্ধে দলটির নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া পার্টির সংসদীয় আইনপ্রণেতা এবং তার সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি করেছে।

উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ৪ মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে ২৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু ছিল।  

সূত্র: রয়টার্স

Get the latest world news from our trusted sources. Our coverage spans across continents and covers politics, business, science, technology, health, and entertainment. Stay informed with breaking news, insightful analysis, and in-depth reporting on the issues that shape our world.

360-degree view of the world's latest news with our comprehensive coverage. From local stories to global events, we bring you the news you need to stay informed and engaged in today's fast-paced world.

Never miss a beat with our up-to-the-minute coverage of the world's latest news. Our team of expert journalists and analysts provides in-depth reporting and insightful commentary on the issues that matter most.