যুদ্ধবিরতির পরও দক্ষিণ লেবাননে হামলা বাড়াল কেন ইসরায়েল?
- Details
- by আন্তর্জাতিক ডেস্ক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শনিবার এই হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন, যা জুনে চুক্তি নবায়নের পর সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা। লেবাননের শীর্ষ নেতারা ইসরায়েলের এই নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের মধ্যস্থতায় ৪ ও ২৬ জুন দুটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয় লেবানন ও ইসরায়েল। ৪ জুনের চুক্তিটি হিজবুল্লাহর সম্পূর্ণ আক্রমণ বন্ধ এবং তাদের যোদ্ধাদের প্রত্যাহারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। অন্যদিকে ২৬ জুনের চুক্তিতে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়নি, বরং এটিকে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।
এপ্রিলে ঘোষিত আরেকটি যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার পর এই চুক্তিগুলো হয়েছিল। হিজবুল্লাহর বিরোধিতা সত্ত্বেও এই যুদ্ধবিরতিগুলো ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে লেবাননের ভূখণ্ডে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো এবং প্রাণঘাতী হামলা চালানো থেকে বিরত রাখতে পারেনি। আগামী মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে লেবানন সরকারের নতুন করে আলোচনার পরিকল্পনার মধ্যেই এই হামলা বাড়ানো হলো।
লেবাননের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়েহ জেলায় ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন শিশুসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানায়, আনসার গ্রামের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের হামলায় ভবনটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং সাতজন নিহত ও তিনজন আহত হন। দেইর আল-জহরানি গ্রামে আরেকটি হামলায় আরও চারজন নিহত হন।
শনিবার নাবাতিয়েহ থেকে আল জাজিরার আলী হাশেম জানান, মধ্যরাতের পর ইসরায়েলি হামলায় একটি পরিবারের সদস্যরা নিহত হয়েছেন এবং এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তিনি জানান, এলাকাটিকে মানুষ নিরাপদ মনে করত, কিন্তু সেখানে বিমান হামলা হয়েছে। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পাশাপাশি এই তীব্রতা দেখা যাচ্ছে এবং তারা দক্ষিণের শহর ও গ্রামগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে। তিনি আরও জানান, ইসরায়েল সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোসহ কবরস্থান ও ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়েছে।
ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত বিউফোর্ট ক্যাসলের কাছে নাবাতিয়েহ জেলার আলী আল-তাহের পাহাড়ে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। আল জাজিরার যাচাইকৃত ভিডিওতে আলী আল-তাহের পাহাড় এবং দাবশা এলাকার মাঝখান থেকে আগুন ও ধোঁয়া উড়তে দেখা যায় এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হিজবুল্লাহর টিভি চ্যানেল আল-মানার জানায়, ওই এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটে। অন্যদিকে নাবাতিয়েহ নিউজ চ্যানেল জানায়, কফার রেমান শহরের কাছে এই হামলা চালানো হয়।
জুনের যুদ্ধবিরতির পর কিছুদিন শান্ত থাকলেও সাম্প্রতিক দিন ও সপ্তাহগুলোতে এই এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, এলাকাটির কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে এবং তারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। এনএনএ-এর তথ্য অনুযায়ী, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বিনত জাবিল এবং তায়েবেহতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি ড্রোন আল-মানসৌরি শহরের উপকণ্ঠেও হামলা চালিয়েছে। সারবিন, বারাশিত, আল-মানসৌরি এবং ওয়াদি জিবকিন শহরে কামানের গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, আলী আল-তাহের পাহাড়ে ইসরায়েলি সৈন্যদের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর পদক্ষেপের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহর সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে, যেখান থেকে আক্রমণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী পরে জানতে পারে যে হিজবুল্লাহ ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের ওই সামরিক ঘাঁটিতে রেখেছিল।
লেবানন এবং গাজায় বর্বরোচিত যুদ্ধের সময় ইসরায়েল বারবার বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। তারা প্রায়ই দাবি করে যে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বেসামরিক এলাকা থেকে কার্যক্রম চালায়, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই দাবিগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আরও জানায়, দক্ষিণ লেবাননে হামলায় তারা হিজবুল্লাহর ‘বদর ইউনিট’-এর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আবু হাসান আলা এবং হিজবুল্লাহ কমান্ডার আলী সমির আল-হাজ হাসানকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলের এই দাবির বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনও কোনো মন্তব্য করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বার্ড কলেজের মধ্যপ্রাচ্য অধ্যয়নের সহযোগী অধ্যাপক জিয়াদ আবু রিশ আল জাজিরার কাছে মত প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বেশিরভাগ পর্যবেক্ষক মনে করেন নেতানিয়াহু লেবাননের দক্ষিণে দখলদারিত্ব বজায় রাখতে এবং হিজবুল্লাহ ও লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আঘাত হানতে দৃঢ় সংকল্প দেখাতে চান। তিনি বলেন, ‘শনিবারের হামলাগুলো তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে চলে আসা একটি কাঠামোর অংশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পরিণতি ছাড়াই ইসরায়েলকে লেবাননে হিজবুল্লাহ এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা চালানোর অনুমতি দিয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে এবং ১২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। প্রায় ৯০ হাজার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৬ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
২ মার্চ লেবাননে ইসরায়েলের এই ভয়াবহ যুদ্ধের সর্বশেষ তীব্রতা শুরু হয়। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট ছোড়ার পর এটি শুরু হয়েছিল।
আবু রিশ বলেন, ‘মানুষের জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। এটি স্পষ্ট যে ইসরায়েলি নীতি হলো লেবাননের জনগণকে, বিশেষ করে শিয়া অধ্যুষিত লেবানন এবং দক্ষিণ লেবাননকে সম্মিলিতভাবে শাস্তি দেওয়া। তারা শুধু হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে নয়, লেবাননের জনগণের বিরুদ্ধেও প্রচারণা চালাচ্ছে।’
এই অধ্যাপক আরও বলেন, লেবাননে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গাজার পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেও দেখা উচিত। অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি যে ইসরায়েল কোনো পরিণতি ছাড়াই গাজায় তাদের গণহত্যা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তাই দক্ষিণ লেবাননকে জনশূন্য ও বসবাসের অযোগ্য করার প্রচারণায় তাদের সক্ষমতা দেখে মানুষের অবাক হওয়া উচিত নয়, যা অসংখ্য সাংবাদিক এবং মানবাধিকার সংস্থা প্রমাণ করেছে।’
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন দক্ষিণ লেবাননে, বিশেষ করে নাবাতিয়েহ এবং এর আশপাশের এলাকায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, এগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির বারবার লঙ্ঘন। আউন বলেন, ‘এই হামলাগুলো আলোচনার পথ এবং চুক্তি বাস্তবায়নে মার্কিন প্রচেষ্টার প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা।’ তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষাকারী আন্তর্জাতিক আইন বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনেন।
প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম দক্ষিণ লেবাননে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে একে অত্যন্ত গুরুতর বিষয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ওই এলাকায় ইসরায়েলকে অবশ্যই তাদের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে পার্লামেন্টের স্পিকার নাবিহ বেরি ইসরায়েলি হামলাকে গণহত্যা বলে অভিহিত করেন। তিনি জানান, এগুলো দক্ষিণ লেবাননে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিচালিত যুদ্ধের ধারাবাহিকতা।
শনিবার হিজবুল্লাহর এক বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, এই তীব্রতা নেতানিয়াহুর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থান জোরদার, নির্বাচনি লক্ষ্য অর্জন এবং কট্টরপন্থিদের সন্তুষ্ট করার জন্য যুদ্ধ বাড়ানোর ইচ্ছার প্রতিফলন। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। হিজবুল্লাহ লেবাননের কর্তৃপক্ষেরও সমালোচনা করে সরাসরি আলোচনার বদলে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের উপায় খোঁজার আহ্বান জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসির স্টিমসন সেন্টারের মিডল ইস্ট প্রোগ্রামের পরিচালক রান্ডা স্লিম আল জাজিরাকে জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে একটি খারাপভাবে পরিচালিত চুক্তিতে সম্মত হয়ে লেবানন নিজেকে কোণঠাসা করে ফেলেছে। স্লিম বলেন, ‘আমি মনে করি না এই মুহূর্তে তাদের খুব বেশি বিকল্প আছে। তারা নিজেদের এই আলোচনায় আটকে ফেলেছে। এই আলোচনা থেকে সরে আসার মূল্য ইসরায়েলিদের চেয়ে লেবাননের জন্য অনেক বেশি হবে এবং ইসরায়েল ঠিক এই অবস্থানেই তাদের চায়।’
তিনি আরও জানান, যুদ্ধবিরতির আলোচনা থেকে হিজবুল্লাহকে বাদ দেওয়াও একটি ভুল ছিল। স্লিম বলেন, ‘হিজবুল্লাহর সঙ্গে পরামর্শ করা হয়নি এবং পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গেও নয়, যিনি সম্প্রতি হিজবুল্লাহর পক্ষে কথা বলছেন। ইসরায়েল প্রত্যাহার করবে না এবং বলছে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত তারা যুদ্ধবিরতি করবে না। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ বলছে, ইসরায়েলিদের প্রত্যাহার না দেখা পর্যন্ত তারা অস্ত্র ছাড়বে না।’
২ মার্চ থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এর আগে প্রায় প্রতিদিন ইসরায়েলি লঙ্ঘন সত্ত্বেও হিজবুল্লাহ ২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে চলেছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের বর্বরোচিত যুদ্ধের পর শুরু হওয়া সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি করা হয়েছিল।
২৬ জুনের মার্কিন মধ্যস্থতার চুক্তির অংশ হিসেবে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ এবং লেবাননের সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা দিতে লেবাননের সেনাবাহিনীর প্রবেশের পর ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের বিশাল অংশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয়। তবে এটি এখনও ঘটেনি এবং লেবানন ও ইসরায়েল সরকার তখন থেকেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আগস্টের শুরুতে সপ্তম দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ইসরায়েল এখনও লেবাননের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দখল করে আছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। নেতানিয়াহুর মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান এএফপি নিউজ এজেন্সিকে জানান, শনিবার ইসরায়েলের হামলা আলোচনাকে ত্বরান্বিত করবে, বিপরীত কিছু নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা চুক্তিতে বিশ্বাস করি। আমরা খুব আশা করি যে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী এগিয়ে আসতে সক্ষম হবে এবং আমরা একসঙ্গে হিজবুল্লাহকে দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে দেব।’
আলাদাভাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানান, লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি উপস্থিতির জন্য হিজবুল্লাহ দায়ী। ওই কর্মকর্তা হিজবুল্লাহকে লেবাননের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রধান বাধা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, ‘পাইলট জোন’ কর্মসূচি, যার আওতায় ইসরায়েলি বাহিনী নির্দিষ্ট এলাকা থেকে প্রত্যাহার করবে এবং লেবাননের সৈন্যরা প্রবেশ করবে, তা শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ।
আবু রিশ জানান, যুদ্ধবিরতি কেবল নামেই ছিল এবং এটি কেবল ১৯ থেকে ২৩ জুন পর্যন্ত টিকে ছিল, যখন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের চাপ দিয়েছিল।
গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...
খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর
Stay up-to-date with the latest news from Bangladesh. Our comprehensive coverage includes politics, business, sports, and culture. Get breaking news, analysis, and commentary on the issues that matter most to Bangladeshis and the international community.
Bangladesh is a country located in South Asia and is home to a diverse population of over 160 million people. It has a rich cultural heritage and a rapidly growing economy. News from Bangladesh covers a wide range of topics, including politics, economics, social issues, culture, and more. The country has made significant progress in recent years in areas such as poverty reduction, education, and healthcare. However, it still faces challenges such as corruption and environmental degradation. Bangladeshi news sources cover both local and international news to keep the public informed about the latest developments and events.