আপনি পড়ছেন

যাদের লাইনের গ্যাস রয়েছে, তাতে চাপ না থাকায় স্বস্তি মেলে না রান্নাবান্নায়। আবার অনেক ফ্ল্যাটে বিশেষ করে গত কয়েক বছরে নতুন করে তৈরি করা অনেক ফ্ল্যাটেই নেই সাপ্লাই গ্যাসের দেখা। ফলে বিপজ্জনক ও ব্যয়বহুল হওয়ার পরও বাধ্য হয়ে কিনেছেন গ্যাস সিলিন্ডার।

gas 1সিলিন্ডার গ্যাসের ব্যবহার বেড়েছে অনেক গুণ

কিন্তু তাতেও ভোগান্তির কি শেষ আছে? কোন সময় যে শেষ হয়ে যাবে তার কোনো ঠিকঠিকানা নেই। আসলে গ্যাস সিলিন্ডার মাপার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বা সিলিন্ডারে স্বচ্ছ কোনো অংশ না থাকায় বুঝাই যায় না কখন বিপদ আসতে যাচ্ছে।

গ্যাস শেষ হওয়ার ক্ষেত্রে অন্যসময় হলে যেমন তেমন। কিন্তু বাচ্চাদের প্রয়োজনীয় খাবার তৈরি, মেহমানের খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে, অথবা একটু রাত করে যদি গ্যাস শেষ হয়ে যায় তাহলে মুসিবতের আর অন্ত থাকে না।

gas 2হঠাৎ সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে ঝামেলার অন্ত থাকে না

যারা নিয়মিত সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করেন, তারা মোটামুটি আন্দাজ করতে পারেন। পরিবারের লোকজনের হিসাব নিকাশ করে মোটামুটি ধারণা করতে পারেন, গ্যাস কয়দিন যাবে, বা কখন শেষ হতে পারে। তারপরও তো বিপদ ঘটে যেতে কতক্ষণ।

তো সবচেয়ে ভালো হয়, যদি গ্যাসটা মেপে দেখা যায়। কিন্তু সেটা কীভাবে? এর জন্য একটা উপায় আছে। সেটি সহজ ও ব্যয়হীন। চেষ্টা করে দেখতে পারেন। প্রথমে সিলিন্ডারটা ভাল করে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সিলিন্ডারের গায়ে একটুও যেন ধুলো না থাকে। এরপর একটা ভিজে কাপড় দিয়ে সিলিন্ডারের গা-টা মুছে নিন। একটু পানি থাকার মতো করেই মুছবেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে দেখা যাবে, সিলিন্ডারের কিছু অংশ দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে, কিছু অংশে পানি রয়েই যাচ্ছে।

এখন ফলাফলের পালা। সিলিন্ডারের যে জায়গাগুলো দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে, সেখানে আর গ্যাস বাকি নেই। তাই আর্দ্রতা কম এবং পানিও তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাচ্ছে। আবার যেখানে গ্যাস রয়েছে, সেখানে আর্দ্রতা বেশি। তাই পানি শুকাতেও বেশি সময় লাগছে।

এই পদ্ধতিটি একটু সাবধানে ব্যবহার করলেই গ্যাসের মাপ বুঝা যাবে। ঠিক কখন গ্যাস শেষ হয়ে আসছে সেটাও বোঝা যাবে সহজেই। আর এর ফলে রক্ষা পাওয়া যাবে নানা ধরনের বিড়ম্বনা থেকে।

গুগল নিউজে আমাদের প্রকাশিত খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন...

খেলাধুলা, তথ্য-প্রযুক্তি, লাইফস্টাইল, দেশ-বিদেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ সহ সর্বশেষ খবর