আপনি পড়ছেন

আমাদের সুস্থ ও ভালো থাকার জন্য রান্নাঘর, বাথরুমের মত স্থানগুলো সবসময় পরিষ্কার রাখা উচিত। এই জায়গাগুলো বেশি নোংরা হয়। তবে বাথরুম অপরিষ্কার থাকলে বেশি অস্বস্তি লাগে এবং এটি অস্বাস্থ্যকরও। কিন্তু নানা ব্যস্ততায় সময় করে উঠতে পারছেন না। ঈদও ঘনিয়ে এল অথচ বাথরুম পরিষ্কার করা হয়নি এখনও।

bathroom cleaner

তবে আজকাল বাথরুমে টাইলস ব্যবহৃত হয় যার ফলে এতে মোজাইকের মত দাগ পড়ে না। তবে এটি পরিষ্কার করতেও বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। যাদের বাসায় কাজের লোক নেই, বাথরুম পরিষ্কার করাটা তাদের জন্যে কষ্টকর। বাথরুম পরিষ্কারের কিছু ঝটপট বা সহজ কৌশল আছে। চলুন জেনে নিই সহজ উপায়গুলো-

  • বাথরুম পরিষ্কারের আগে শুকনো কাপড় দিয়ে বাথরুম মুছে নিন যাতে টাইলসের ওপর পানি জমে না থাকে। এরপর ডিটারজেন্ট পাউডার কিংবা টয়লেট ক্লিনার অথবা টাইলস ক্লিনার ছিটিয়ে দিন পুরো মেঝেতে। এভাবে রেখে দিন আধা ঘণ্টা। এবার শক্ত ব্রাশ দিয়ে ঘষে, কোনায় জমা ময়লার কালচে দাগ টুথব্রাশ দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • টাইলসে তেল, চর্বিজাতীয় দাগ পড়ে যাতে নষ্ট না হয়, এজন্য দাগের স্থানে সাবানের পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। সাথে পাঁচ কাপ পানির সাথে এক কাপ ভিনেগার মিশিয়ে একটি স্প্রের বোতলে ভরে টাইলসের ওপর স্প্রে করে পনেরো মিনিট রেখে দিন। দেখবেন ময়লা উঠে গেছে। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এছাড়া ভিনেগার ও বেকিং সোডা পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে নিলে বাথরুম পরিষ্কার হবে, দুর্গন্ধ এবং জীবাণুমুক্ত হবে।
  • বাথরুমের ঝাপসা কাঁচ ঘষা-ঘষি ছাড়াই চকচকে করতে গ্লাসের অর্ধেকের চেয়ে বেশি ঠান্ডা পানিতে তিনটি ব্ল্যাক টি ব্যাগ চুবিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি ঝাপসা কাঁচে ছিটিয়ে খবরের কাগজ দিয়ে মুছে নিলেই দেখবেন চকচক করছে আপনার বাথরুমের কাঁচ।
  • বাথরুমের বেসিনে বিচ্ছিরি বাদামী দাগ পড়লে একটি পাত্রে সমপরিমাণ ভিনেগার ও থালা-বাসন মাজার লিকুইড একসাথে মিশিয়ে নিয়ে শক্ত একটি মুছনীতে নিয়ে দাগের জায়গাটা ঘষলে দাগ চলে যাবে। যেকোন ধরণের জং বা খসখসেভাব তুলতে কিছুটা লেবুর রস সেখানে ঘষার পর পরিষ্কার করে ফেলুন।
  • পানির কলে দাগ দেখলে একটি কাপড় দিয়ে জংধরা স্থানগুলো মুড়িয়ে ওপরে ভিনেগার ঢেলে দিন। ত্রিশ মিনিট এভাবেই রেখে দিয়ে পরে ভালোভাবে ঘষুন। দেখবেন পরিষ্কার হয়ে গেছে।
  • টয়লেট ব্যবহারের পর প্রতিবার ভালোমত পানি ঢেলে পরিষ্কার করে ফেলুন। কমোডের ট্যাংক পরিষ্কার রাখতে পরিষ্কারক দ্রব্যের বার কিনতে পাওয়া যায় এতে প্রতিবার কমোড ব্যবহারের পর ফ্ল্যাশ করে দিলে কমোড পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত থাকে।
  • বাথরুমে যাওয়ার জন্য বাথরুমের সামনে এক জোড়া স্যান্ডেল রাখুন। বাথরুমের সামনে সাধারণ ম্যাট নয় রাবারের ম্যাট ব্যবহার করুন কারণ রাবারের ম্যাট পানি ও ময়লা শোষণ করতে পারে বেশী।
  • বাথরুমে সবসময় এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করুন। ছোট ইনডোর প্ল্যান্টও রাখা যেতে পারে। বাথরুমের পরিবেশ সতেজ থাকবে। বাথরুমের জানালায় পর্দা ব্যবহার করে থাকলে পাতলা পর্দা লাগান এবং কয়েকদিন পর পর বদলে দিন।