advertisement
আপনি দেখছেন

সীমিত ওভার কিংবা দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেট; যে সংস্করণ হোক, আগুনে ফর্মে ছিল অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে এসে সেই দলটার দর্পচূর্ণ হলো। ওয়ানডে সিরিজে হতে হলো হোয়াইটওয়াশ। শনিবার পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচেও হেরে গেছেন ওয়ার্নার-স্মিথ-ফিঞ্চরা। এদিন প্রোটিয়ারা জিতেছে ছয় উইকেটে।

smuts made his maiden international fifty

আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সাত উইকেটে ২৫৪ রানের লড়াকু পুঁজি তোলে অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে চার উইকেট হারিয়ে ২৭ বল অক্ষত রেখে দারুণ জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দাপুটে এই জয়ে সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে শেষ করল স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করা হেনরিক ক্লাসেন হয়েছেন সিরিজ সেরা।

ম্যাচ সেরার পুরস্কার অবশ্য উঠেছে জন-জন স্মাটসের হাতে। ২৫৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা তার ব্যাটেই সহজ হয়ে গেছে স্বাগতিকদের জন্য। দলীয় সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেছেন স্মাটস। ম্যাচটা তিনি শেষ করে আসতে পারেননি। তবে বীরদর্পে বাইশ গজ ছেড়েছেন ক্লাসেন। ৬৮ রানে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকলেন তিনি। কাইল ভেরেন ৫০ রানে আউট হন। এ ছাড়া পিটার মালান ২৩ ও ‍কুইন্টন ডি কক ২৬ রান করেন।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে মার্নাস লাবুশেনের শতকের ওপর দাঁড়িয়ে দলীয় সংগ্রহ আড়াই শ ছাড়ায় অস্ট্রেলিয়া। ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করা লাবুশেন কাল আউট হয়েছেন ১০৮ রানে। বাকিদের কেউ হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। তবে অ্যারন ফিঞ্চ (২২), স্টিভেন স্মিথ (২০), মিচেল মার্শ (৩২), ডার্সি শট (৩৬) ও জাই রিচার্ডসনের (২৪*) ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংগ্রহগুলো অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস মেরামতের কাজে কিছুটা হলেও সহায়ক ছিল।

তাতে লড়াইয়ের পুঁজি পেলেও তা আগলে রাখতে পারেননি অজি বোলাররা। যার খেসারত দিতে হলো দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দ্বিতীয়বার ধবলধোলাই হয়ে (অন্তত তিন ম্যাচের সিরিজ)। সবশেষ ২০১৬ সালের আফ্রিকায় এসে নাকানি-চুবানি খেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ওই সফরে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৫-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল অজিরা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভার, ২৫৪/৭

দক্ষিণ আফ্রিকা: ৪৫.৩ ওভার, ২৫৮/৪

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৬ উইকেটে জয়ী

সিরিজ: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩-০ ব্যবধানে জয়ী

ম্যাচ সেরা: জন-জন স্মাটস

সিরিজ সেরা: হেনরিক ক্লাসেন