advertisement
আপনি দেখছেন

বিশ্বকাপের ব্যর্থতা বড় ধাক্কা হয়ে ধরা দিয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটে। তাই পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজে ইনজুরি ও পড়তি ফর্মের কারণে ছিলেন না এক ঝাঁক সিনিয়র ক্রিকেটার। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বে তারুণ্য নির্ভর দলটা পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করেছে বটে, তবে হারের খরা কাটাতে পারেনি।

mahmudullah ryad bd captain 1সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ

সিরিজের প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচে জয়ের সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু জয়ের তরী তীরে ভেড়াতে পারেনি। সোমবার শেষ টি-২০-তে ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ বলে চার মেরে জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

ম্যাচের পর বাংলাদেশের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেছেন, সিরিজজুড়ে কষ্ট করেছে তরুণ ক্রিকেটাররা। যদিও দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফল পায়নি টাইগাররা। বিশ্বকাপসহ টানা ৮টি টি-২০ ম্যাচ হারল বাংলাদেশ। শেষ বলের হারকে বর্ণনা করতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘কিছুটা তো হার্টব্রেকিং। অলমোস্ট খুব ক্লোজে গিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হয়নি।’

ব্যাটিং দৈন্যের চিত্রটা সিরিজজুড়েই অব্যাহত ছিল। আজও ১২৪ রানের বেশি যেতে পারেনি বাংলাদেশ। সেখানে ওপেনার নাঈম শেখের শম্বুক গতির ব্যাটিংয়ের বড় অবদান রয়েছে। ৫০ বল খেলে ৪৭ রান করেছেন তিনি। টি-২০-তে যা জঘন্য ইনিংসেরই নামান্তর। যদিও অধিনায়ক তার পক্ষেই সাফাই গাইলেন। মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘ওই সময় আমার মনে হয় যে জুটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। নাঈম ভালো ব্যাট করেছে। আফিফ ও নাঈমের জুটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

তবে তরুণ দলটা জয়ের স্বস্তি না পাওয়ায় আক্ষেপ মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, যদি দু-একটি ম্যাচ জেতা যেত, দলের আত্মবিশ্বাস আরও ভালো থাকতো। যে রকম আমাদের ড্রেসিং রুমটা অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় খুব উৎফুল্ল ছিল। অবশ্যই ম্যাচ হারলে সব টিমমেটের খারাপ লাগে। অনেক সংশয় সৃষ্টি হয়। তবে ছেলেরা অনেক কষ্ট করেছে সবাই। এফোর্ট দিয়েছে। চেষ্টা করেছে জানপ্রাণ দিয়ে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ফল আমাদের পক্ষে আসেনি।’