advertisement
আপনি পড়ছেন

বাংলাদেশ অন্য দলগুলোর তুলনায় টেস্ট কমই খেলে। টেস্ট বিশেষজ্ঞ ক্রিকেটাররা তাই বছরে হাতে গোনা কয়েকটি ম্যাচই খেলেন। বছরে কয়েকদিন খেলে পারফর্ম করার চ্যালেঞ্জ পাড়ি দিতে হয় মুমিনুল হক-সাদমান ইসলাম-তাইজুল ইসলামদের।

tijul islam bd cricketerতাইজুল ইসলাম

চট্টগ্রাম টেস্টে আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১৬ রানে ৭ উইকেট নিয়েছেন তাইজুল। দলকে ম্যাচে ফিরিয়েছেন তিনি। এমন পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। কিন্তু মজার বিষয় হলো, অনেকেই ভুলে গেছেন নিজের আগের টেস্টেই ৫ উইকেট পেয়েছেন তাইজুল। পাল্লেকেলে-তে বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স ছিল তার। পরে জিম্বাবুয়ে সফরে সাকিব খেলায় একাদশেই সুযোগ পাননি।

এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা সহজ কথা নয়। তাইজুল জানালেন, প্রক্রিয়া ধরে রেখে চলেন যখন ম্যাচ থাকে না। তার মতে, বেশি বেশি টেস্ট খেললে আরও ভালো করতে পারতেন।

আজ দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের প্রস্তুতি নিয়ে তাইজুল বলেছেন, ‘আমরা যখন খেলি, প্রক্রিয়া একই থাকতে হয়। যেকোনো জিনিসের ক্ষেত্রেই তাই। ছন্দ ধরে রাখার জন্য প্রক্রিয়া ঠিক রাখা খুব জরুরি। আরও বেশি টেস্ট খেললে আরও ভালো করতে পারতাম, ছন্দ ধরে রাখতে সহজ হতো।’

কারোনাকালে বোলিং অ্যাকশনে পরিবর্তন করতে গিয়ে ছন্দ হারিয়েছিলেন তাইজুল। পরে আবার পুরনো অ্যাকশনেই থিতু হয়েছেন। এ বাঁহাতি স্পিনার বলেন, ‘এটা সত্যি যে, আমি পুরনো অ্যাকশনেই বেশি সফল। ভাবছিলাম আরও ভালো কিছু করা যায় কি না। অ্যাকশন বদলে অনেক বড় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম এ রকম নয়।’

সাকিবের মতো পরীক্ষিত অস্ত্র নেই বাংলাদেশ দলে। বাঁহাতি স্পিনে তার অভাবটা পূরণ করছেন তাইজুল। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শুধু আজকেই না, আগেও সাকিব ভাইকে ছাড়া অনেকগুলো ম্যাচ খেলেছি। সাকিব ভাই থাকলে আমার ভূমিকা এক রকম হয়, না থাকলে আরেক রকম হয়। এমন হওয়াই স্বাভাবিক। সাকিব ভাই বাংলাদেশ দলকে অনেক দিন ধরে সার্ভিস দিচ্ছে। সফল একজন ক্রিকেটার। সাকিব ভাই না থাকলে তার ভূমিকা আমাকে পালন করতে হয়।’