advertisement
আপনি পড়ছেন

তিন ফরম্যাটেই পাকিস্তানের পেস আক্রমণের তুরুপের তাস এখন শাহীন শাহ আফ্রিদি। নতুন বল হাতে নিয়েই দলকে উইকেট এনে দিচ্ছেন এ বাঁহাতি পেসার। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও দুর্দান্ত তিনি। চট্টগ্রাম টেস্টে ৭ উইকেট নিয়েছেন। যার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট। তার বোলিং তোপেই দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ১৫৭ রানে অলআউট হয়েছিল।

shaheen shah afridi 1শাহীন শাহ আফ্রিদি

শুক্রবার অনুশীলনের পর সংবাদ সম্মেলনে আফ্রিদি বলেছেন, উপমহাদেশের সবখানে এবং বাংলাদেশও উইকেট কিছুটা স্লো। এখানেও ভালো করা যায় পেস বোলিংয়ে। যদি একটু শক্তির ব্যবহার এবং স্কিল প্রয়োগ করা যায়। আগ্রাসী বোলিংই তার সফলতার মূলমন্ত্র। মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টেও এমন বোলিং করতে চান তিনি।

পেসারদের জন্য সাহায্য কমই থাকে উপমহাদেশের পিচগুলোতে। সেখানে কার্যকর হওয়ার উপায় নিয়ে আফ্রিদি বলেছেন, ‘এশিয়ার সব উইকেটই আসলে কম-বেশি ধীরগতির। লোকে বলে যে স্পিনারদের সহায়তা বেশি মেলে। তবে শক্ত-পোক্ত হলে ও গায়ে জোর থাকলে এখানেও কার্যকর হওয়া যায়।’

হাসান আলীর সঙ্গে জুটি বেঁধে বোলিংটা উপভোগ করেন আফ্রিদি। নতুন বলে তারাই দলের নেতৃত্ব দেন। আফ্রিদি বলেন, ‘জুটি বেঁধে বল করতে হয়। হাসানেরও এখানে কৃতিত্ব আছে এবং হাসানের সঙ্গে যখনই আমি বোলিং করি, আমরা নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেই যে, কে কখন আক্রমণ করবে, কে রান আটকে রাখবে। হাসানেরও তাই ভূমিকা আছে।’

shaheen shah afridi 2শাহীন শাহ আফ্রিদি

তবে এই বাঁহাতির কাছে ব্যাটসম্যানকে আক্রমণ করাই মূল কথা। তিনি বলেছেন, ‘আমার কাছে ব্যাপারটি হলো, ৩ ওভারের স্পেল হোক বা ৫ ওভারের, আগ্রাসী বোলিং করতে চাই। এভাবেই সাফল্য ধরা দিচ্ছে। দ্বিতীয় টেস্টেও আমরা আগের টেস্টের মতো পারফরম্যান্স দিতে চাই।’

সিরিজে এগিয়ে থাকা পাকিস্তান মিরপুর টেস্টেও জয়ের ছক কষছে। সিরিজ জিতেই ফিরতে চায় তারা। আফ্রিদি আজ বলেছেন, ‘মোমেন্টাম খুব ভালো আছে, দলের কম্বিনেশন দারুণ। ছেলেরা প্রস্তুত দ্বিতীয় টেস্টের জন্য। অবশ্যই লড়াই করব এবং ভালোভাবে শেষ করব এবং এখান থেকে সিরিজ জিতে ফিরব।’

চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে ৪৯ রানে, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫ রানে বাংলাদেশের ৪ উইকেটে ফেলে দিয়েছিল পাকিস্তান। যেখানে আফ্রিদির ভূমিকা অনেক। দুই ইনিংসেই বাউন্সার মেরে সাইফ হাসানকে আউট করেছিলেন এ বাঁহাতি পেসার।

বাংলাদেশের টপ অর্ডারের উইকেট নেয়া সহজ কিনা জানতে চাইলে আফ্রিদি বলেছেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে টানা দুই বলে উইকেট নেওয়া কখনোই সহজ নয়। সত্যিই কঠিন। টেস্ট ক্রিকেট এটির নাম কারণ এখানে প্রতিটি সেশন, প্রতিটি মিনিট কঠিন ক্রিকেট হয় ও গুরুত্বপূর্ণ। আমি ফুল লেংথে বল করার চেষ্টা করি এবং উপভোগ করি। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের উইকেট নেওয়া সহজ নয়। ওদের বেশ কজন ভালো ক্রিকেটার আছে।’