advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গেল গতকাল শুক্রবার। এদিন দেশটির সাউথ আইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শহর ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় হামলা চালায় উগ্রবাদী বন্দুকধারী। এতে অন্তত ৪৯ জন নিহত এবং ৪৮ জন আহত হয়।

newzealand shooting

সহিংস অপরাধের ঘটনা নিউজিল্যান্ডে খুবই কম। দেশটির পুলিশকে সাধারণত বন্দুকের ব্যবহার করতে হয় না, যদিও এর আগে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।
দেশটিতে এর আগে যে কয়বার বড় ধরনের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা তুলে ধরেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তা নিচে তুলে ধরা হলো-

১৯৯৭
এক বন্দুকধারী তার পিতাসহ ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং চারজনকে আহত করে। দেশটির অরিমু এলাকার স্কি-লজ পল্লী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। কিন্তু উন্মাদ রোগ থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি।

১৯৯৪
সাউথ আইল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর দুনেদিনে একটি পরিবারের সাত সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ১৯৯৫ সালে পরিবারের বেঁচে যাওয়া এক ছেলেকে অভিযুক্ত করা হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে পুনঃবিচারে তাকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। তবে তাকে ৬ লাখ ৮০ ডলার জরিমানা করা হয়।

১৯৯২
অকল্যান্ডের বাইরে একটি ফার্মে এক ব্যক্তি নিজের পরিবারের ছয় সদস্যকে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এর পর সে নিজেকে গুলি করে শেষ করে দেয়।

১৯৯০
সমুদ্র তীরবর্তী ছোট্ট গ্রাম আরামোয়ানায় বন্দুক-পাগল এক লোক ২৪ ঘণ্টার জিম্মি তাণ্ডব চালিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৩ জনকে হত্যা করে। পরে পুলিশের গুলিতে সে নিহত হয়। এর প্রেক্ষিতে দেশটিতে অস্ত্র তথা বন্দুক আইনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

১৯৪৩
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা একটি ক্যাম্পে উদ্ভূত দাঙ্গায় গুলি চালালে ৪৮ যুদ্ধবন্দি ও এক নিরাপত্তা রক্ষী নিহত হয়। এর মধ্যে জাপানি সেনারাও ছিল, যাদের গুয়াদালকানাল অভিযানের (যুদ্ধ) সময় গ্রেফতার করা হয়। পরে সামরিক আদালত সিদ্ধান্ত দেয় যে, ঘটনার জন্য বন্দিরাই দায়ী, কিন্তু পরে অভিযোগ গঠনে কোনো চাপ প্রয়োগ করা হয়নি।

sheikh mujib 2020