advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 15 মিনিট আগে

গোলান মালভূমি থেকে ইসরায়েলকে অবশ্যই সরে যেতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কাতার। মঙ্গলবার কাতার সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে।

qatar protest golan issue

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গোলান মালভূমিকে ইসরাইলের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পরই এমন বিবৃতি দিলো দোহা।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় সিরিয়ার কাছ থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয় ইসরায়েল। তবে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহল কখনোই এর স্বীকৃতি দেয়নি।

কয়েক দশক ধরে আমেরিকাসহ বিশ্বের দেশগুলো ইসরায়েলের এই দখলদারিত্বকে প্রত্যাখ্যান করে আসছিল। কিন্তু গতকাল সোমবার ট্রাম্প গোটা বিশ্বকে উপেক্ষা এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে গোলানে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেন।

কাতার বিবৃতিতে আরও বলেছে, ইসরায়েল গোলান মালভূমিকে দখল করেছে। এটি একটি আরব ভূখণ্ড। আন্তর্জাতিক আইন মেনে ইসরায়েলকে ওই ভূখণ্ড থেকে সরে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের ঘোষণার পর পরই সৌদি আরবসহ আরব বিশ্ব, আরব লীগ, ওআইসি এবং ইরান ও তুরস্কসহ আরও কিছু দেশ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

এ ছাড়া রাশিয়া ও কানাডাও বলেছে, তারা গোলান মালভূমিতে ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেবে না।

সিরিয়া সরকার বলেছে, এই সিদ্ধান্ত সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর নগ্ন হামলা।

সৌদি আরব বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণা জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের মূলনীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। সেইসঙ্গে এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করার পাশাপাশি এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।

লেবানন বলেছে, ‘গোলান মালভূমি সিরীয় আরব ভূখণ্ড, কোনো সিদ্ধান্তে সেটা পরিবর্তন হতে পারে না, এবং কোনো দেশ এক দেশের ভূমির মালিকানা অন্য দেশকে হস্তান্তরের মাধ্যমে ইতিহাস পাল্টাতে পারে না।’

ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা ও্আইসি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী গোলান যে সিরিয়া ও আরব ভূমি সে অবস্থান বদলাবে না ওআইসি।

এ ছাড়া আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত বলেছেন, (গোলান) যে অবৈধভাবে দখল করা ভূখণ্ড, এই সিদ্ধান্তের (ট্রাম্পের) ফলে অবস্থার পরিবর্তন হবে না।

sheikh mujib 2020