advertisement
আপনি দেখছেন

পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দূরপাল্লার আরো শক্তিশালী অগ্নি-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের রাত্রিকালীন পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে দেশটির ওডিষ্যা উপকূলের বালেশ্বরে ডক্টর আবদুল কালাম দ্বীপে ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়।

agni 3 india

এই সময়'র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর রাত্রিকালীন কার্যকরিতা যাচাই করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষামূলকভাবে উত্‍‌ক্ষেপণ করা হচ্ছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর সূত্র বলছে, ওডিষ্যার ভদ্রক জেলার ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ থেকে অগ্নি-৩ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়। সেনাবাহিনীর স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের তত্ত্বাবধানে এ রাত্রিকালীন উৎক্ষেপণ করা হয়।

ভারতের পরমাণু অস্ত্র বহনের মূল ভিত্তি ৩০০০ থেকে ৫০০০ কিলোমিটার পাল্লার অগ্নি-৩ ক্ষেপণাস্ত্র। ২০১১ সালের জুনে সেনাবাহিনীর হাতে আসা ১৭ মিটার লম্বা ও ২ মিটার ব্যাসের এ ক্ষেপণাস্ত্র দেড় টন ওজন বহনে সক্ষম।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর রাতে এই কেন্দ্র থেকে মাঝারি পাল্লার শক্তিশালী অগ্নি-২ ক্ষেপণাস্ত্রের রাত্রিকালীন পরীক্ষা চালায় ভারত। ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ আগস্ট গজনভি নামে শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের রাত্রিকালীন পরীক্ষা চালিয়েছিল চির প্রতিদ্বন্দী পাকিস্তান। ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এ ক্ষেপণাস্ত্র ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার এবং এটি পরমাণুসহ সব ধরনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম বলে উল্লেখ করা হয়।

sheikh mujib 2020