advertisement
আপনি দেখছেন

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা দিনকে দিন বেড়েই চলছে। আর তা থেকে পরিত্রাণ পেতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের ওপর মানুষের নির্ভরতাও বাড়ছে। যার সংখ্যাটা সবচেয়ে বেশি ভারতে। অথচ এই যন্ত্রই পরিবেশকে উত্তপ্ত করতে বড় ভূমিকা রাখে।

ac use indiaএসির অতিরিক্ত ব্যবহারে উত্তপ্ত হচ্ছে পরিবেশ

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বর্তমানে শুধু ভারতেই পাঁচ শতাংশ মানুষ এসি ব্যবহার করছেন। যার সংখ্যাটা হিসেব করলে দাঁড়ায় প্রায় ৩০ মিলিয়ন। অথচ তিন দশক আগেও দেশটিতে এসি ব্যবহারের হার ছিল প্রায় শূন্যের কোটায়।

গত এক দশকে দেশটির এসির বাজারে প্রবৃদ্ধির হার ১০ শতাংশের বেশি। এছাড়া মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের জোগান থাকায় ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে ব্যবহৃত এসির সংখ্যা ১০০ কোটি হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থাৎ গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গিয়ে মানুষ পরিবেশকে আরো গরম করে তুলছেন। কারণ, এসি তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ এবং প্রয়োজনীয় উৎস পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

জার্মান ভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতে উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের দুই-তৃতীয়াংশ আসে কয়লা ও গ্যাস থেকে। যা পরিবেশের জন্য অনেকবেশি ক্ষতির কারণ। আরো কয়েক দশক দেশটিকে ক্ষতিকর এ জীবাশ্ম জ্বালানির ওপরই নির্ভর করতে হবে।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনে দেশটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজস্থানের চুরুতে। সেখানে তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৫০.৮ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের চেয়েও ৯ ডিগ্রি বেশি। এছাড়াও বিকানির, গঙ্গানগর, জয়সলমির, কোটা ও বারমের তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির উপরে ছিল। মহারাষ্ট্রের চন্দ্রাপুর এবং নাগপুরের তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছিল।

এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য জ্বালানি সাশ্রয়ী এসি ব্যবহারে নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে দেশটির সরকার।

sheikh mujib 2020