advertisement
আপনি দেখছেন

শান্তির দেশ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে বর্ণবাদী এক খৃস্টান শ্বেতাঙ্গের বন্দুক হামলায় ৫১ জন মুসল্লি নিহত এবং আরো অনেকে আহত হন। গোটা বিশ্বকে হতবাক করে দেয়া গত ১৫ মার্চের ওই ঘটনার পর সেমি-অটোমেটিক আগ্নেয়াস্ত্র নিষিদ্ধ করে ফেরত নেয়ার ঘোষণা দেয় দেশটির সরকার।

new zealands prime minister 1

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি এক স্কিমের আওতায় গত ছয় মাসে ৫৬ হাজারের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র জমা দিয়েছে কিউইরা। অস্ত্র ফেরত নেয়ার এ স্কিম গত এপ্রিলে শুরু হয়ে গত শুক্রবার শেষ হয়।

এ উদ্যোগকে সফল দাবি করে দেশটির পুলিশ মিনিস্টার স্টুয়ার্ট ন্যাশ বলেন, ‘আমারা আমাদের সম্প্রদায় (খৃস্টান) থেকে ৫০ হাজারের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত নিয়েছি। এটা সন্দেহাতীতভাবে একটি ভালো উদ্যোগ হিসেবে সবার কাছে বিবেচিত হবে।’

এর প্রকল্পের অধীনে কর্তৃপক্ষের কাছে যারা জমা দেয়া অস্ত্রের মালিকদের কেনা দামের ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ফেরত দেয়া হয়েছে। সরকারি এ উদ্যোগ দেশে এবং দেশের বাইরে সর্বত্র প্রসংশিত হচ্ছে।

গত ১৫ মার্চে আধুনিক নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ওই হামলার পর দেশটির পার্লামেন্টে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এদিকে মুসলমানদের ওপর নৃশংস হামলাকারী স্বঘোষিত খ্রিস্টান শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী ব্রেন্টন ট্যারেন্ট অস্ট্রেলীয় নাগরিক। সামাজিকমাধ্যমে লাইভে এসে চালানো ওই বন্দুক হামলার পর গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি কার হয়। আগামী বছর তার মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার কথা রয়েছে।