advertisement
আপনি দেখছেন

গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষ জেনারেল কাশেম সোলায়মানির হত্যাকাণ্ডে নিজের ভূমিকা থাকার কথা স্বীকার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। গতকাল স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটির ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বক্তৃতাকালে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে সাহসী হামলা বলেও সম্বোধন করেন।

pompeo i had a role in the killing of solimani

বক্তৃতায় পম্পেও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী যেসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম করেছে তার নেতৃত্বে ছিল কাশেম সোলায়মানি। তাই সেসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধে ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মার্কিন প্রশাসন এ সাহসী পদক্ষেপটি নিয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যম জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও দীর্ঘদিন ধরে সোলায়মানিকে হত্যার জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন করে আসছিলেন। তাকে হত্যার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই স্বীকার করেছেন ঐ হামলা তার নির্দেশে হয়েছে। কিন্তু ঐ সিদ্ধান্তের পেছনের মূল হোতা ছিলেন পম্পেও ও মাইক পেন্স।

pompeo i had a role in the killing of solimani02

সোলায়মানিকে হত্যার পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা কয়েকগুণ বেড়ে যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। ইরান পরমাণু সমঝোতা চুক্তি স্থগিত ঘোষণা করে পরমাণু কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার ঘোষণা দেয়। এ থেকে আগেই একতরফা বেরিয়ে গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করা অন্যান্য দেশ জার্মানি, রাশিয়া, ব্রিটেন ও ফ্রান্স ইরানকে পরমাণু চুক্তি অব্যাহত রাখার আল্টিমেটাম দিলে ইউরোপের সাথে ইরানের নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। সে সাথে ইরানের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট কর্তৃক আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তো আছেই। সব মিলিয়ে ইরান ও এর আশেপাশের অঞ্চলে এখন বিরাজ করছে তীব্র উত্তেজনা।