advertisement
আপনি দেখছেন

সম্মানজনক উপায়ে ইরাক থেকে মার্কিন সেনা কীভাবে প্রত্যাহার করা যায় তার নিরাপদ পথ খুঁজে বেড়াচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত শুক্রবার ইরানি গণমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ফোর্ড।

us desperately looking for exit in iraq

তিনি বলেন, ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাশেম সোলায়মানিকে হত্যার করার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরাক থেকে তার সেনাদের প্রত্যাহারের জোরদার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইরাকের পার্লামেন্টে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব পাশ হয়েছে। মার্কিনিরা সবসময় গণতন্ত্রের কথা বলে। যেসব দেশে গণতন্ত্র নেই বা কার্যকর সংসদ নেই তাদের সমালোচনা করে বেড়ায়। তাই ইরাকের পার্লামেন্টে গণতান্ত্রিক উপায়ে যে প্রস্তাব পাশ হয়েছে তা মার্কিনিরা লঙ্ঘন করতে পারে না। যদি তারা সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাবকে প্রত্যাহার করে তাহলে তারা গণতন্ত্রকেই অপমান করবে।

সাক্ষাৎকারে পিটার ফোর্ড আরো বলেন, ইরাকের বেশিরভাগ মানুষই চায় না তাদের দেশে মার্কিন সেনারা অবস্থান করুক। তিনি মনে করেন মার্কিন সেনারাও আর ইরাকে অবস্থান করতে চাচ্ছে না। তারা এখন মুখ রক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং সম্মান বাঁচিয়ে ইরাক থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। বের হওয়ার আগে মার্কিন সেনারা ন্যাটোর হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে পারে। কিন্তু ইরাকের জনগণ এতে সন্তুষ্ট হবে না বলে দাবি করেন তিনি।

us desperately looking for exit in iraq02

ইরাকে উগ্রবাদী সন্ত্রাসী দমনের নামে মার্কিন বাহিনী তাদের উপস্থিতি বজায় রাখছে উল্লেখ করে পিটার ফোর্ড বলেন, উগ্রবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মোকাবেলা করার জন্য দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীই যথেষ্ট। মার্কিন সেনাদের সেখানে প্রয়োজন নেই।

শীর্ষ জেনারেল কাশেম সোলায়মানি হত্যা প্রসঙ্গে তিন বলেন, যুকরাষ্ট্র তাকে হত্যা করে অত্যন্ত অন্যায় কাজ করেছে। এ ঘটনার পর ইরাকের দুই মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে এবং প্রমাণ দিয়েছে তাদের হামলা করার সাহস আছে।