advertisement
আপনি দেখছেন

ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) প্রতিবাদে আন্দোলনকারী এবং সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত সোমবার শুরু হওয়া ওই সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ওই ঘটনায় দুই শতাধিক লোক আহত হয়েছে।

delhi clash kejriwal

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিয়াল।

হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, গুরু টেগবাহাদুর হাসপাতালে মারা গেছে ২১ জন। অন্যদিকে, দুইজন মারা গেছে জয়প্রকাশ নারায়ণ হাসপাতালে।
খবরে বলা হয়েছে, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই পরিস্থিতিতে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

টুইটারে মোদি বলেন, তিনি নিজে পরিস্থিতি তত্ত্বাবধান করছেন।

অন্যদিকে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ইস্তফার দাবি করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

আর দিল্লিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

সংহিংসতা বন্ধে মঙ্গলবার রাতে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার রাতে দিল্লি পুলিশ প্রধান অমূল্য পট্টনায়েকের সঙ্গে আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। তার আগে উত্তর-পূর্ব দিল্লির ডিসিপি বেদ প্রকাশ সূর্যর সীলামপুরের দফতরে তারা বৈঠক করেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত সফরে আসলে সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা। এর পর আইনটির সমর্থকদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে।