advertisement
আপনি দেখছেন

আজ থেকে ১৫ বছর আগে কথা। ২০০৫ সালে একটি বই লিখেছিলেন স্কটিশ লেখক পিটার মে। তিনি বইটির নাম দিয়েছিলেন ‘লকডাউন’। কিন্তু প্রশাসক ওই সময় তাকে পাত্তাই দেননি। বলেছিলেন, এই বই ছাপালে তার গোষ্ঠী উদ্ধার করা হবে। কারণ সেটি ছিল ‘কল্পনা নির্ভর’ বই। তাতে বল হয়, ভবিষ্যতে মহামারি হবে বিশ্বময়। তবে কী ধরনের মহামারি হবে সেটা তিনি বলেননি।

book on pandemic peter mayভবিষ্যতের মহামারি নিয়ে ১৫ আগে বই লেখেন স্কটিশ লেখক পিটার মে।

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আজ গোটা বিশ্ব যেন ভুতুড়ে এক পৃথিবীতে পরিণত হয়েছে। স্থবির হয়ে গেছে বিশ্বের সবকিছু। ২১০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ ভাইরাসটি। লাখ লাখ লোক আক্রান্ত হচ্ছে, মারা যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। এই মহামারির শেষ কোথায় কেউ ধারণাও করতে পারছে না।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন বলছে, বিশ্বের যখন এই অবস্থা তখন ঠিক ১৫ বছর পর খোঁজ পড়েছে সেই লেখকের। কল্পনা নির্ভর বলে পিটার মে’র যে বইকে প্রকাশক পাত্তা দেননি, সেই বই নিয়েই এবার টানাটানি শুরু হয়ে গেল। প্রকাশক বললেন, বইটি কোথায়? সেটি আমরা এখন প্রকাশ করতে পারি। আর দেরি করার মতো সময় নেই। একজন সম্পাদক সারারাত ধরে পড়লেন, দেখলেন বইটির বিষয়বস্তু।

খবরে বলা হয়েছে, এরপরই তা প্রেসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ৩০ এপ্রিলই নাকি বইটি বাজারে আসবে। এমনকি প্রকাশের আগেই লাখ লাখ কপি বিক্রি হয়ে গেছে।

peter may scottish writerলকডাউন বইয়ের লেখক পিটার মে।

তবে প্রকাশক বইটিকে কল্পনা নির্ভর বললেও ৬৮ বছর বয়সী পিটার মে কিন্তু বলছেন, বইটি সম্পূর্ণ কল্পনার ওপর ভিত্তি করে লেখা নয়। বরং আমেরিকা ও ব্রিটেনের মহামারি বিশেষজ্ঞদের নানা গবেষণাপত্র বিশ্লেষণ করেই বইটি লিখেছিলেন তিনি। তবে বইটির নাম লকডাউন হলেও গোটা দুনিয়া যে এভাবে লকডাউনের কবলে পড়বে সে রকম কল্পনাও করতে পারেননি বলে জানান পিটার।