advertisement
আপনি দেখছেন

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার হয়নি। বিশ্বব্যাপী এ বিষয়ে শতাধিক গবেষণা চলছে। গবেষকরা সব ধরনের উপায় অবলম্বন করে একটি প্রতিষেধক আবিষ্কার করার প্রচেষ্টায় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সে লক্ষ্যেই এবার ১৭ বছর আগে মহামারিতে রূপ নেয়া সার্স ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুস্থ হওয়া দুই ব্যক্তির এন্টিবডি নিয়ে তা করোনাভাইরাসের ওপর প্রয়োগের পরীক্ষা চলছে। বিখ্যাত সাময়িকী দ্য নেচারের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

vaccine symbolic pictureপ্রতীকী ছবি

জানা যায়, একটি এন্টিবডি ২০০৩ সালে সার্স ভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়া এক ব্যক্তি থেকে নেয়া হয়েছে। এটি দীর্ঘদিন ল্যাবে সংরক্ষিত ছিল। গবেষকরা এর নাম দিয়েছেন এস৩০৯। দ্বিতিয় এন্টিবডি ২০০০ সালে সার্সের সংক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া এক ব্যক্তি থেকে নিয়ে ল্যাবে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। এর নাম সিআর৩০২২।

এস৩০৯ এন্টিবডিটির ক্ষেত্রে গবেষকরা দেখতে পারেন, এটি বি সেল বা বি কোষ কার্যক্রম নিজের মধ্যে অনেকটুকু আয়ত্ব করতে সক্ষম হয়েছে। মানবদেহ সাধারণত কোনো সংক্রামক ভাইরাস অথবা ব্যাকটেরিয়ার কবলে পড়ে তখন তা মোকাবেলা করার জন্য বি সেলের উপত্তি হয়। এইসব বি কোষ দেহে সংক্রামক সেসব ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে তাদের গুনাগুণ নষ্ট করে দেয়।

coronavirus picপ্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাস হলো সার্স সমগোত্রেরই একটি ভাইরাস। তাই গবেষকদের ধারণা- এই এন্টিবডি করোনার ওপরও আক্রমণ করবে।

গবেষকরা দেখেছেন, এস৩০৯ এন্টিবডি মরণঘাতী করোনাভাইরাসের স্পাইকগুলো নষ্ট করে দেয়। এই স্পাইকগুলোই সংক্রমণে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই এই এন্টিবডি কার্যত করোনার গুণাবলী নষ্ট করতে সক্ষম।

তবে দ্য নেচার বলছে, গবেষকরা যেসব দাবি করছেন তা শুধু ল্যাবে বিভিন্ন পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে বলছেন। কোনো প্রাণির ওপর এর প্রয়োগে এন্টিবডিটির কার্যকারিতা উপলব্ধি করা যাবে।