advertisement
আপনি দেখছেন

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে চাইছেন। এ বিষয়ে তার একটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাও আছে, যা বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছেন তিনি। এমনটিই দাবি করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞ জন স্পাচাপান।

erdogan calledতুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

আল আরাবিয়ার বরাতে জানা যায়, সম্প্রতি দ্য বুলেটিন অব দ্য এটোমিক সাইন্টিস্ট নামে এক সাময়িকীতে এ বিষয়ক একটি কলাম লেখেছেন স্পাচাপান। এরদোয়ান যে পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে চাচ্ছেন তার ৩টি যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

প্রথমত, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে এরদোয়ান তার রাজনৈতিক দলের এক সম্মেলনে বলেন, তুরস্ক তার নিজস্ব পরমাণু অস্ত্রের মালিক হতে পারবে না বিষয়টি অগ্রহণযোগ্য। কারণ বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রই আছে যারা পরমাণু সংবলিত ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রেখেছে। সেই ক্ষেপণাস্ত্র এক দুটি নয়, অগণিত। কিন্তু আমরা সেই অস্ত্র নিজেদের অস্ত্রাগারে মজুদ করতে পারবো না। আমি এটা মেনে নিতে পারি না।

দ্বিতীয়ত, রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তুরস্ক তার উপকূলবর্তী এলাকায় আক্কুয়ু পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। তুর্কি সরকার বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস আমদানির ওপর চাপ কমাতেই এই উদ্যোগ।

akkuyu power plant turkeyনির্মাণাধীন আক্কুয়ু পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র

স্পাচাপানের মতে, গ্যাস ও কয়লার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক সাশ্রয়ী। তাছাড়া তিনটি চুল্লির মধ্যে রাশিয়া শুধু একটি নির্মাণের খরচ দেবে। বাকি দুটির খরচ দেবে তুরস্ক। কোনো উদ্দেশ্য ব্যতীত তারা এতো খরচ করবে? এর পেছনে তাদের অবশ্যই কোনো লক্ষ্য আছে।

তিনি বলেন, রাশিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে তুরস্ক। সেখানে দেশটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী পরমাণু বিজ্ঞান নিয়ে অধ্যয়ন করে। ইরান ও উত্তর কোরিয়ারও যথেষ্ট শিক্ষার্থী রয়েছে সেখানে। তারা নিজদের দেশে ফেরত গিয়ে সেসব বিদ্যার প্রয়োগ করছেন।

তৃতীয়ত, পাকিস্তানি মিলিটারির সঙ্গে বেশ কয়েক বছর ধরেই কাজ করে যাচ্ছে তুরস্ক। পরমাণু অস্ত্রধারী পাকিস্তানের প্রতিবেশীও না তুরস্ক। মধ্যপ্রাচ্যের অশান্তি দূরীকরণেও দুই পক্ষের তেমন যৌথ কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। যা কারণে পাক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আঙ্কারার এই যৌথ উদ্যোগ অনেকেরই দৃষ্টি কেড়েছে।

sheikh mujib 2020