advertisement
আপনি দেখছেন

মরণঘাতী করোনাভাইরাসে একজন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হবে না, এমনটাই বিশ্বাস বিজ্ঞানীদের। যদিও এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো পোক্ত তথ্য নেই, তবুও তারা বেশ আশাবাদী।

catch the infection twiceবিজ্ঞানীদের বিশ্বাস দ্বিতীয়বার সংক্রমণের সম্ভাবনা কম

বিজ্ঞানীদের মতে, একবার ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর দেহে সামান্য হলেও এন্টিবডির উৎপত্তি হয়। যা পরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। কিন্তু ঠিক কতোদিন এই এন্টিবডি কার্যকর থাকে তা নিশ্চিত না। যতদিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কাজ করে ততোদিন ভাইরাসটিতে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

আল আরাবিয়ার বরাতে জানা যায়, বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় সংক্রমণ নিয়ে এসব কথা বললেও অনেকেই ভাইরাসটিতে দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, হতে পারে এসব রোগীরা ভাইরাসটির সংক্রমণ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। তাদের টেস্টের ফলাফলে অসঙ্গতি থাকতে পারে। কারণ অনেক স্থানেই শনাক্তকরণ টেস্টের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

pandemic symbolic picture10করোনাভাইরাসের মাইক্রোস্কোপিক ছবি

করোনাভাইরাসের সমগোত্রীয় অন্যান্য ভাইরাসের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে দ্বিতীয়বার সংক্রমণ হয়। তবে তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, একবার ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর একজন ব্যক্তি তিন মাস কিংবা বছরখানেক সময়ের মধ্যে ফের সংক্রমিত হতে পারে।

এদিকে গত সপ্তাহে প্রকাশিত এক মার্কিন গবেষণা বলছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর মানবদেহে এন্টিবডির সৃষ্টি হয় যা কয়েকমাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। এই সময়ে তারা ফের ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। কারণ এন্টিবডিই করোনাভাইরাসের একমাত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা না। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার আরো বেশ কিছু কার্যকারিতা আছে যা ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধে কাজ করে।

আল আরাবিয়া বলছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় সংক্রমণের সম্ভাবনা কতটুকু তা জানা বেশ জরুরি। এতে করে মানুষ নিজ কর্মস্থলে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

sheikh mujib 2020