advertisement
আপনি দেখছেন

এপ্রিল মাস থেকে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার কোভিড-১৯ পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালো ছিলো। এপ্রিল থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সেখানে নতুন কোনো আক্রান্তের খবর মিলেনি। কিন্তু ১৬ নভেম্বর হঠাৎ করেই ১৭ জনের আক্রান্তের খবর এসেছে। অঞ্চলটি এর মধ্যেই ‘হাই এলার্টে’ চলে গেছে।

south australia on high alert after new infections of covid 19

অঞ্চলটির সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, অ্যাডিলেডের এক হোটেলের কোয়ারিন্টন অংশে কাজ করা এক কর্মী থেকে নতুন করে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। ওই কর্মীর মাধ্যমে স্থানীয় একটি পরিবার আক্রান্ত হয়।

অস্ট্রেলিয়ার এই রাজ্যের স্কুল, দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং কন্টাক্ট ট্রেসিং জোরদার করা হয়েছে।

ভিক্টোরিয়াতে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা সামাল দেওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় শূন্যতে নেমে এসেছিলো।

অঞ্চলটির রাজধানী মেলবোর্নে এর আগে ব্যাপকভাবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিলো। সেখানে অন্তত ২০ হাজার ৩০০ লোক আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত মাসে সব কিছু খুলে দেওয়ার আগে, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়াতে চার মাসের দীর্ঘ ও কড়া লকডাউন আরোপ করা হয়েছিলো।

ভিক্টোরিয়র সংক্রমণও একটি হোটেলের কোয়ারিন্টিন অংশ থেকে ছড়িয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়।

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিকোলা স্পারিয়ার সোমবার বলেন, “এটা নিশ্চিত যে অস্ট্রেলিয়ার ভাইরাস ঝুঁকির কেন্দ্রে রয়েছে হাসপাতালগুলোর কোয়ারিন্টিন কেন্দ্রগুলো।”

তিনি নিশ্চিত করে বলেন যে, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি একটি হাসপাতালের কোয়ারিন্টিন বিভাগে কাজ করছিলেন, এবং তার মাধ্যমেই হয়তো ভাইরাসটি নতুন করে ছড়িয়ে থাকতে পারে।

গত মার্চ মাস থেকে অস্ট্রেলিয়া বিদেশি পর্যটকদের আগমন নিষিদ্ধ করে রেখেছে। তবে কোনো নাগরিক বা স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়, যদি তারা অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের পর বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারিন্টিন মেনে চলেন।

sheikh mujib 2020