advertisement
আপনি দেখছেন

উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব নিরসনে আলোচনা শুরু করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের বিদায়ের প্রাক্কালে অসমাপ্ত প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতে দৃশ্যমান হলো চীনের ভূমিকা।

kim jong un moon jae in 1দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি মুন জায়ে-ইন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন

ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়, দুই কোরিয়ার মাঝে শুরু হওয়া আলোচনা এগিয়ে নিতে চায় চীন। বুধবার দক্ষিণ কোরিয়া সফরে গিয়ে এমন আশ্বাস দেন চীনা শীর্ষ কূটনীতিক ওয়াং ই। এ জন্য বেইজিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরীয় প্রধানমন্ত্রী।

সফর শেষে ওয়াং জানান, আলোচনার জন্য শিগগিরই দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যাবেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। এটি পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ফেরাতে ভূমিকা রাখবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার চীনা গণমাধ্যম জানায়, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার আলোচনা শুরুর প্রস্তুতি ফের শুরু হয়েছে। এশিয়া প্যাসিফিকে উত্তর কোরিয়া চীনের আর দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু হিসেবে পরিচিত।

wang yi on visit to south koreaদক্ষিণ কোরিয়া সফরে ওয়াং ই

কূটনীতিকরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে চীন। এটি এশিয়া প্যাসিফিকে প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে বেইজিংয়ের উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ অঞ্চলে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলয় তৈরির চেষ্টা করছে। এতে আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এর বিপরীতে চীন তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদার করেছে।

এর আগে গুরুত্বপূর্ণ চীনা কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত ওয়াং ই দক্ষিণ কোরিয়া সফরের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান সফর করেছেন। দেশ দুটির সঙ্গে সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুই কোরিয়ার আলোচনায় চীন মধ্যস্থতা করলে তা এশিয়া প্যাসিফিকে শান্তি আনবে, এ অঞ্চলে চীনা আধিপত্যও বাড়াবে। তবে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি কীভাবে নিবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

sheikh mujib 2020