advertisement
আপনি দেখছেন

গত ১১ দিনে অস্ট্রেলিয়ান রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলসে স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত কোনো করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। এরপরই তাদের প্রতিবেশি রাজ্য কুইন্সল্যান্ড সিডনির বাসিন্দাদের জন্য তাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছে।

queensland to open border for sydney people

ক্রিসমাসের ঠিক আগে আগে হঠাৎ সিডনিতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। অন্তত ১৮০টি ঘটনার সঙ্গে অঞ্চলটির করোনাভাইরাস পরিস্থিতির সংযোগ পাওয়া যায়। এর ফলে সিডনি থেকে কেউ অন্য অঞ্চলে যেতে পারছিলো না।

এক ফেব্রুয়ারি থেকে কুইন্সল্যান্ড তাদের সীমান্তে আর কাউকে চেক করবে না।

কুইন্সল্যান্ড প্রিমিয়ার অ্যানাসটিকা পালাজোক বৃহস্পতিবার বলেন, “নিউ সাউথ ওয়েলস কৃতিত্বের দাবিদার। তারা সংক্রমণ থামাতে সফল হয়েছে।”

মহামারি শুরু হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়াতে ২২ হাজারের বেশি লোক সংক্রমিত হয়েছেন এবং অন্তত ৯০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য অনেক দেশের তুলনায় এই পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সংক্রমণ থামাতে দেশটি অনেক আগ্রাসী পদক্ষেপ নিয়েছিলো।

এ মাসের শুরুতে কুইন্সল্যান্ডের রাজধানী ব্রিসবেনে তিনদিনের কঠোর লকডাউন আরোপ করা হয়। মাত্র একটি সংক্রমণের ঘটনায় এ রকম পদক্ষেপ নিয়েছিলো তারা।

চলতি সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের সাথে ধরনের ভ্রমণ বন্ধ রেখেছে। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনে একজনের আক্রান্তের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সিডনিতে- ব্রিসবেনে উৎসব

নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার গ্লাডিস বেরেজিকলিয়ান সীমান্ত খুলে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়ায় কুইন্সল্যান্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস এটি লোকজনের মনে অনেক আনন্দ নিয়ে আসবে। কারণ সিডনি ও ব্রিসবেনের মানুষ এবার পরস্পরের সাথে দেখা করতে পারবে।”

বেরেজিকলিয়ান এর আগে সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপের জন্য কয়েকটি রাজ্যের সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন সিডনির অনেক মানুষ অন্য শহরে থাকে। তাদের জন্য হলেও সীমান্তের কড়াকড়ি বন্ধ করা উচিত।

সংক্রমণ কমানের জন্য সিডনিতে অনেকগুলো আগ্রাসী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। এর মধ্যে প্রধানতম ছিলো কঠোরভাবে কন্ট্রাক্ট ট্রেসিং করা। যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি কাদের সাথে মিশেছেন তা চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বেশি লোকের সমাগম বন্ধ করা এবং মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিলো।