advertisement
আপনি দেখছেন

চীনের ক্রমবর্ধনশীল আগ্রাসী ব্যবহার এবং ভারতের কোভিড-১৯ সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকার মতো ঘটনাগুলো কোয়াড্রিলেটারাল সিকিউরিটি ডায়ালগ, কোয়াড নামের কৌশলগত জোটকে আরো গতিশীল করে তুলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মূলত দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের আধিপত্য হ্রাসে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র,জাপান এবং অস্ট্রেলিয়ার গঠিত জোটটিই কোয়াড নামে পরিচিত।

quad

বিশেষজ্ঞ টেরি ইয়ো দ্য ইপোক টাইমসে লিখেছেন চীনের দিক থেকে আসা ক্রমবর্ধমান হুমকি ভূরাজনৈতিক ইস্যুগুলোকে দীর্ঘসময়ের জন্য শক্তিশালীভাবে আবদ্ধ করবে এবং রাজনৈতিক কারণগুলো দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিচালিত করবে।

ইউএস ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের মেজর রেডি বলেছেন, ‘আমাদের (যুক্তরাষ্ট্র-ভারত) মধ্যে সম্পর্ক খুবই শক্তিশালী। কোন কিছু ঘটলে ভারতের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আরো মজবুত হয়ে উঠবে। কোভিড-১৯ মহামারি সংক্রমণ দুইদেশের মধ্যে নিরাপত্তা কার্যক্রমে কোন প্রভাব ফেলে নি।’

নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটির চায়না স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক শ্রীকান্ত কোন্ডাপল্লী বলেছেন, করোনা সংকটের দ্বিতীয় ঢেউ কোয়াডের সহযোগিতাকে আরো শক্তিশালী করে তুলবে। কোয়াডের সদস্যদের মধ্যকার আলোচনায় ভ্যাকসিন অংশীদারিত্বের বিষয়টিতেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

china flag

ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার জেষ্ঠ্য প্রভাষক রাহুল মিশ্র বলেন, ‘কোয়াডের ভবিষ্যত খুই উজ্জ্বল। এই চারটি দেশ উদ্যেগটিকে আরো শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক হিসেবে রূপ দিতে আগ্রহী। ইউরোপের ক্ষমতাধর দেশগুলোও জোটটি নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে।’

কোবে ইউনিভার্সিটির ইউএস-জাপান রিলেশনস অ্যান্ড ডিপ্লোমেটিক হিস্টোরি বিভাগের অধ্যাপক তোশ মিনোহারা বলেন, ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উদার গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন বজায় রাখবে কোয়াড।

তিনি আরো বলেন, বৈশ্বিক নেতৃত্ব বজায় রাখতে তাইওয়ানকে সমর্থন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি ধারণা করছেন, ২০২৫ সালে নতুন এক যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনকে দেখা যাবে যারা চীনের প্রতি আরো আগ্রাসী হয়ে উঠবে।