advertisement
আপনি দেখছেন

দখলদার ইসরায়েলের একক আধিপত্যের যুগ শেষ হয়ে গেছে। এখন ফিলিস্তিনিরাও তাদের আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিচ্ছে। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হয়েছে।

hamas missile 1

সংগঠনটি বলেছে, জর্ডান নদীর পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা কিংবা ফিলিস্তিনের অন্য যেকোনো স্থানে সংঘাতের ঘটনায় দখলদার ইসরায়েল আর আধিপত্য চালাতে পারবে না। ফিলিস্তিনিরাও প্রত্যেকটি আগ্রাসনের জবাব দেবে।

এক বিবৃতিতে হামাসের মুখপাত্র ফৌজি বারহুম শুক্রবার বিকেলে ইসরায়েল বিরোধী সাহসী প্রতিরোধের ভূমিকায় গাজা ও পশ্চিম তীরের জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে যে ঐক্য ও সংহতির বন্ধন গড়ে উঠেছে, সেটা এই ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে।

হামাসের প্রভাবশালী এই নেতা আরো বলেন, পশ্চিম তীরের বায়তুল মুকাদ্দাসের অধিবাসী ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে গাজা থেকে ইসরাইল বিরোধী হামলার মাধ্যমে এবারের সংঘাত শুরু হয়েছে। সুতরাং সকল ফিলিস্তিনবাসীর উচিত একসঙ্গে এই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া, যাতে দখলদার ইসরায়েলকে ধ্বংস করা যায়।

palestinian answar israel

সাম্প্রতিক সংঘাতে হামাসের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে এ যাবতকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েলপন্থী গণমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, হামাসের হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৯ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো বেশ কিছু।

পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের রকেট হামলার কারণে ইসরায়েল জুড়ে বিরাজ করছে আতঙ্ক। প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর মুহুর্মুহু রকেট হামলায় যখনই সাইরেন বেজে উঠছে তখনই প্রাণ বাঁচাতে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে ইসরায়েলিরা। বেশিরভাগ সময় তারা ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে কাটাচ্ছে। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যে ফিলিস্তিনিরা এক সময় ইসরায়েলি ট্যাংকের সামনে শুধু পাথর নিক্ষেপ করে প্রতিবাদ জানাতো, তারা আজ তাদের সামরিক সক্ষমতাকে দুই পক্ষের শক্তির ভারসাম্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক সময় যারা ঢিল ছুড়তো আজ তারা রকেট-ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।