advertisement
আপনি দেখছেন

চীনের লাখ লাখ মানুষ পাবলিক প্লেসে আসতে পারছে না। কারণ টিকা না গ্রহণের কারণে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে- স্কুল, হাসপাতাল, শপিংমল ইত্যাদি স্থানে কোনো আনভ্যাকসিনেটেড লোক অর্থাৎ টিকা নেয়নি এমন কেউ থাকতে পারবে না। দেশটির বহু শহরে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে যারা টিকা নেয়নি তারা বাড়ির বাইরে বের হতে পারছে না। খবর এনডিটিভির।

vaccine china

২০১৯ সালের শেষদিকে মধ্য চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। তার পর থেকে দেশটিতে সংক্রমণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা জারি রয়েছে। তবে এবারের নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বিশ্বব্যাপী ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে।

কঠোর নির্দেশনা দেশটির দ্বিতীয় স্তরের শহরগুলোতেও কার্যকর থাকবে। ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশ টিকার আওতায় আনা হবে এ বছরের শেষে। জাতীয়ভাবে এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক করা হয়েছে চীনা সরকারের পক্ষ থেকে।

corona vaccine 1 1

গতকাল বুধবার (১৪ জুলাই) এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ইউনান প্রদেশের চুজিয়ং শহরে বাস করে প্রায় ৫ লাখ ১০ হাজার মানুষ। এখানকার ১৮ বছর বয়স্ক সবাইকে টিকার আওতায় আনা হবে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে। যারা এই তারিখের মধ্যে টিকা গ্রহণে ব্যর্থ হবেন তাদের পাবলিক প্লেসে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা এসেছে।

এমনকি তাদের জন্য হাসপাতাল, নার্সিং হোম, কিন্ডারগার্টেন, স্কুল, লাইব্রেরি, মিউজিয়াম, জেলখানা এমনকি গণপরিবহনে চড়াও নিষিদ্ধ। দেশের বহু শহরে একই নোটিশ জারি করা হয়েছে। এসব শহরের মধ্যে জিয়াংশি প্রদেশের ছয়টি, সিচুয়ানের একটি, গাউংশির একটি এবং ফুজিয়ান প্রদেশের তিনটি শহর রয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনায় বলা হচ্ছে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের আগে জনসংখ্যার ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মানুষকে টিকার আওতায় আনা হবে। এমনকি হেনান প্রদেশের তিয়ানহেতে ২০ জুলাইয়ের আগে টিকা না নিলে চাকুরেদের বেতন বন্ধের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

বড়-ছোট শহর, রেলস্টেশন, পাবলিক প্লেসে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যারা টিকা গ্রহণ করেননি, তাদের নাম ঠিকানা মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতে। তবে এটা কীভাবে করা হবে সে ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। অনলাইনের মাধ্যমে এটা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।